ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে হাম সংক্রমণে আরও এক শিশু মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পেল
ময়মনস হ ম ড ক ল হ – ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে হাম সংক্রমণে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। গত শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া সাড়ে তিন মাসের শিশুটি শেষ হাজির হয়েছে। তার বসবাস করা ফুলপুর উপজেলার দিউ গ্রামে অবস্থিত। শিশুটি কোন কারণে হামে আক্রান্ত হয়েছিল তা বিস্তারিত পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে এ সপ্তাহে পর্যন্ত ২০ মে থেকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে।
গত দুই সপ্তাহে শিশুদের মৃত্যু বৃদ্ধির তথ্য
ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন শিশুর সংখ্যা গত দুই সপ্তাহে বৃদ্ধি পেয়েছে। হাসপাতালের সিনিয়র স্টোর অফিসার ডা. ঝন্টু সরকার জানান, গত শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়টিতে ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে আরও ২৯ শিশু হামের লক্ষণ দেখায় আসে। এ সপ্তাহে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে আরও পাঁচ শিশু। এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১০০ শিশু।
আইসোলেশন ওয়ার্ডের গুরুত্ব প্রকাশ
ফেব্রুয়ারি থেকে হামের লক্ষণ দেখায় রোগী ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি শুরু হয়। মার্চের মাঝামাঝি থেকে রোগীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এজন্য হাসপাতালে ৬৪ শয্যার একটি আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। ওখানে তিনটি মেডিকেল টিম চালোন করছে। এ ক্ষেত্রে রোগীদের আপন অংশগ্রহণে হাম বিপজ্জনক উপসর্গ আরও তীব্র হয়ে আসছে।
হাম সংক্রমণে সম্প্রতি ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে আরও এক শিশু মৃত হয়েছে। এ দুর্দশা আশঙ্কা জনক হয়ে উঠেছে। ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালের সূত্র থেকে জানা যায়, হামের চিকিৎসাধীন শিশুদের মৃত্যুর সংখ্যা এখন পর্যন্ত মোট ৩৫ এর বেশি পৌঁছেছে। বিশেষজ্ঞ মতে শিশুদের হাম প্রতিরোধ করতে স্বাস্থ্য পরিষদের সহযোগিতা অপরিহার্য।
সূত্র থেকে প্রকাশ
“ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে হাম সংক্রমণ প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছে। দেশের অনেক শিশু অপুষ্টির কারণে ভোগে। অপুষ্টির কারণে হাম সংক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে।”
“ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে শিশুদের জন্য আইসিইউ ব্যবস্থা নেই। গুরুতর রোগীদের বাবল সিপ্যাপ পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। অবস্থার অবনতি হলে তাদের ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে।”
ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে হাম সংক্রমণের পরিস্থিতি স্থিতিশীল নয়। প্রতিদিন ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে হামের উপসর্গ দেখায় শিশুর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বিষয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সর্বমোট প্রাপ্ত হাম কেসের সংখ্যা এখন �
