ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে তিনটি মেশিন বন্ধ থাকায় ভোগান্তি শুরু
ঠ ক রগ ও জ ন র – ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে রোগ নির্ণয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তিনটি যন্ত্র দুই মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে বায়োকেমিস্ট্রি মেশিনটি যান্ত্রিক সমস্যার কারণে এবং রাসায়নিক উপাদান রিএজেন্টের সংকটে দুটি হেমাটোলজি অ্যানালাইজার বন্ধ রয়েছে। মেশিনগুলি অকার্যকর হয়ে পড়ায় রোগীরা লিভার ও কিডনি কার্যকারিতা, ডায়াবেটিস, রক্তস্বল্পতা এবং সংক্রমণ সহ বিভিন্ন রোগের পরীক্ষা করতে পারছে না।
হাসপাতাল সূত্রে কথিত হয়েছে
হাসপাতাল সূত্র জানায়, বন্ধ থাকা বায়োকেমিস্ট্রি যন্ত্রে রক্তে বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান, এনজাইম ও লবণের মাত্রা পরীক্ষা করা হত। এ যন্ত্রের মাধ্যমে লিভার ফাংশন টেস্ট (এলএফটি), কিডনি ফাংশন টেস্ট (কেএফটি), রক্তে শর্করার মাত্রা, ইউরিক অ্যাসিড, কোলেস্টেরল সহ ১৫ থেকে ২০ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা করা যেত। অন্যদিকে হেমাটোলজি অ্যানালাইজারে সিবিসি পরীক্ষার মাধ্যমে রক্তস্বল্পতা, সংক্রমণ, ডেঙ্গু সহ বিভিন্ন রোগ শনাক্ত করা সম্ভব হত।
“ডাক্তারের দেওয়া সব পরীক্ষা করাতে পারিনি। টাকার অভাবে কিছু পরীক্ষা বাদ দিতে হয়েছে,” বলেন ঠাকুরগাঁও শহরের দিনমজুর জয়নাল আবেদীন।
আধুনিক মেডিকেল যন্ত্রপাতি স্থাপনের পর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ, ক্যালিব্রেশন ও কারিগরি তদারকির প্রয়োজন হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে দক্ষ বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ার বা টেকনিশিয়ানের মাধ্যমে এসব যন্ত্রের যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ হয়নি। ফলে ছোটখাটো ত্রুটিও বড় সমস্যায় রূপ নিয়েছে।
রোগীদের পরিস্থিতি
হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা সদর উপজেলার শাহিনা বেগম বলেন, “ডাক্তার কিডনির পরীক্ষা দিয়েছেন। হাসপাতালে শুনি মেশিন বন্ধ। বাইরে পরীক্ষা করতে গিয়ে প্রায় এক হাজার টাকা খরচ হয়েছে।”
“লিভারের পরীক্ষা করা দরকার ছিল। হাসপাতালে হলে অল্প ট
