Bangladesh

মহম্মদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স: ধারণক্ষমতার ৫ গুণ রোগী নিয়ে হিমশিম সবার

মহম্মদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স: ধারণক্ষমতার ৫ গুণ রোগী নিয়ে হিমশিম সবার

প্রায় পাঁচ গুণ চাপে বৃদ্ধি পেয়েছে রোগী সংখ্যা

মহম মদপ র স ব স থ – মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ধারণক্ষমতার চারপাশে রোগীদের বৃদ্ধি হয়েছে। গত মঙ্গলবার হাসপাতালে প্রায় ১৪৫ জন রোগী ভর্তি ছিল। সেই সংখ্যা পর্যাপ্ত বিপুলতা ঘটায় আজ রোগীদের সংখ্যা আরও ২০ জন বেড়ে ১৬৫ জনে পৌঁছেছে।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনাকীর্ণ হয়ে গেছে প্রতিটি কোণ। বর্তমানে হাসপাতালটি নামে প্রায় ৫০ শয্যার বলে পরিচিত, কিন্তু কাজে অবস্থা তার চেয়ে অনেক খাড়া হয়ে উঠেছে। ডায়রিয়া, বমি, শ্বাসকষ্ট, পেটব্যথা এবং আহত এসে গেছে বিভিন্ন রোগ ও সমস্যার জন্য রোগীদের প্রচণ্ড গরমে হাঁসফাঁস করতে হচ্ছে বারান্দায়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ইতিহাস

১৯৮৩ সালে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রায় সাড়ে সাত একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তী সময়ে অতিরিক্ত ভর্তি করার কারণে হাসপাতালটি নতুন ভবন গ্রহণ করে ২০১৬ সালের ৩০ জুলাই স্থাপিত হয়। এর পর প্রায় দশ বছর অতিক্রম করলেও হাসপাতালটি এখনও প্রশাসনিকভাবে সেই ৩১ শয্যার পরিমাণে চালু রয়েছে।

“বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা রীতিমতো অসহায় বোধ করছি। নিয়মিত রোগীর সংখ্যা ধারণক্ষমতার কয়েক গুণ ছাড়িয়ে গেছে। এতে নতুন রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া ব্যাহত হচ্ছে। আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করছি। তবে এর স্থায়ী সমাধানের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ প্রয়োজন।”

স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কাজী মো. আবু আহসান বলেন, কারণ হাসপাতালে রোগীদের বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আলো ও বাতাসের সমস্যা হয়েছে। নিচতলার করিডরে ভিড় তৈরি হয়েছে। ড্রাইভ বা শ্বাসকষ্ট দুর্দশা চরমে পৌঁছেছে রোগীদের সামনে।

দ্বিতীয় তলার পুরুষ ও মহিলা ওয়ার্ড ছাপিয়ে রোগীদের ঠাঁই নিতে হয়েছে বারান্দায়। শয্যা না পেয়ে চিকিৎসা ব্যবস্থা গুমফা খাচ্ছে হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের। কারণে ভোরে শৌচাগারের সামনে দীর্ঘ সারিতে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে প্রতিদিন।

Leave a Comment