পদ্মা সেতু থেকে ঝাঁপ দিয়েছেন ফোরকান, দাবি পুলিশের
পদ ম স ত থ ক ঝ – গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় ঘটে গেলো একটি আশ্চর্যজনক ঘটনা। পদ্মা সেতুর মাঝামাঝি এলাকায় স্থানীয় সময় দুপুরে মোহম্মদ ফোরকান মোল্লার নিকট থেকে ঝাঁপ দিয়ে তিনি নিহত হয়েছেন। পুলিশ সূত্রে দাবি রয়েছে যে পদ্মা সেতুতে ঝাঁপ দেওয়া ব্যক্তি ফোরকান বলে ধারণা করছেন। তবে এই পরিস্থিতির সত্যিকারোপে আরও তথ্য প্রয়োজন হয়েছে।
বিষয়টি প্রথম জানানো হয়েছিল পুলিশের সূত্রে
তদন্তে জানা গেছে যে পদ্মা সেতুর মাঝামাঝি এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। নিহত ব্যক্তি ব্যবহার করেছেন তাঁর মোবাইল ফোন। পুলিশ সুপার মোহম্মদ শরিফ উদ্দীন বলেন, তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ১১ মে ফোরকানের মোবাইল ফোনটি মেহেরপুর সদর এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরে জানা গেছে যে ট্রাকের হেলপার সেই ফোনটি পড়ে থাকতে দেখে তিনি নিয়েছেন।
এ ঘটনার পর কাপাসিয়া থানায় মামলা তুলে ধরা হয়। ফোরকান মোল্লার স্বামী ছিলেন শারমিন, যিনি এ ঘটনার সাক্ষী হিসেবে নিহত হয়েছিলেন। তাঁর ছেলে মিম (১৬ বছর), মেয়ে মারিয়া (৮ বছর), ফারিয়া (২ বছর) এবং ভাই রসুল (২২ বছর) কর্মকর্তা তিনি তাঁদের সাথে সম্পৃক্ত হতে পারেন। বর্তমানে ফোরকানকে প্রধান আসামি হিসেবে মামলার প্রধান সূত্রে নির্ধারণ করা হয়েছে।
ভিডিও ফুটেজে কী দেখা গেলো?
পদ্মা সেতুর সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার পর পুলিশ কর্মকর্তাদের সামনে একটি ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। ভিডিওটিতে দেখা গেলো যে সাদা শার্ট ও কালো প্যান্ট পরা ব্যক্তি একটি সাদা প্রাইভেট কার থেকে নেমে রেলিংয়ের পাশে কিছু রেখে দুই মিনিট অবস্থান করেন। পরে তিনি রেলিং টপকে পদ্মা সেতুতে ঝাঁপ দেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেলো যে ঝাঁপ দেওয়া ব্যক্তিকে ফোরকান বলে পুলিশ তাঁদের ধারণা করছেন। কিন্তু তাঁদের স্পষ্টতা নেই। বর্তমানে তদন্ত চলছে এবং পদ্মা সেতু এলাকায় ঝাঁপ দেওয়া ঘটনার বিস্তারিত তথ্য খুঁজে বার করার চেষা চলছে। এই ঘটনা চোখে চার মাস আগে কর্মকর্তা তিনি পদ্মা সেতু এলাকায় ঝাঁপ দিয়েছেন বলে দাবি করছেন।
মোহম্মদ ফোরকান মোল্লার বাড়ি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোপীনাথপুর এলাকায়। তিনি ছয় মাস আগে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকেন। তাঁর নামে তাঁদের কাছে পদ্মা সেতু এলাকায় ঝাঁপ দেওয়া ঘটনার সম্পর্কে কোন তথ্য রয়েছে না বলে জানা গে
