মনপুরায় নিখোঁজের ২৭ ঘণ্টা পর মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ উদ্ধার
শিক্ষার্থী মাহিনের মৃতদেহ খালপাড়ে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৭ ঘন্টা পর উদ্ধার
মনপ র য় ন খ জ র – মনপুরা খালপাড়ে নিখোঁজ হওয়া মাদ্রাসাছাত্র মাহিনের মৃতদেহ বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৮টার দিকে উদ্ধার করা হয়। তিনি মনপুরা উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের রহমানপুর গ্রামে মো. মামুনের ছেলে এবং মাঝেরঘাট নুরানী মাদ্রাসার তৃতীয় জামাতের ছাত্র ছিলেন। তিনি স্থানীয় খাল থেকে অদৃশ্য হওয়ার পর থেকে পরিবার ও স্থানীয় মানুষ খুঁজে খুঁজে বেড়ানো শুরু করে। এ ঘটনার প্রায় এক দিন পর তাকে গাছের ঝোপে ভাসমান অবস্থায় দেখে স্থানীয়রা খবর দেন। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে এবং আইনগত প্রক্রিয়া পূরণের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। মনপুরা খালপাড়ে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা স্থানীয় মানুষের প্রতি একটি বিষয় তুলে ধরে।
অভিযান চালিয়ে মৃতদেহ খুঁজে পাওয়া হয়নি
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে মনপুরা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সাধারণ সম্প্রদায় সহ খোঁজ খাবার জন্য প্রাথমিক অভিযান চালিয়েছিলেন। দুপুর থেকে কোস্টগার্ডের সদস্যরাও যোগ দেন। তাদের প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষ করে এবং মনপুরা খালপাড়ে নিখোঁজ হওয়া ছাত্রের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। মনপুরা খালপাড়ে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনার প্রায় দুই দিন পর তিনি মনপুরা খালপাড়ে পুনরুদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক পর্যায়ে অভিযান
মনপুরা খালপাড়ে নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। তারা খালের তলে মাহিনের অনুসন্ধান করে কিন্তু কোন পরিচয় পাননি। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সহ অন্যান্য সংস্থা সংযুক্ত হয়। মনপুরা খালপাড়ে নিখোঁজ হওয়া ঘটনার প্রতিক্রিয়া স্থানীয় মানুষের মাঝে উত্তেজনার সৃষ্টি করে। অভিযানে বিশেষজ্ঞ ও চার দিকে গুরুতর তল্লাশি চালিয়ে তারা স্থানীয়দের সহযোগিতা গ্রহণ করে।
পরিবারের দুঃখ ও আশ্চর্য বিশ্লেষণ
মনপুরা খালপাড়ে নিখোঁজ হওয়ার পর মাহিনের পরিবার প্রচুর বিষাদে ভাসে। তাদের জানানো হয় যে তিনি মনপুরা খালপাড়ে চলন্ত অবস্থায় নিখোঁজ হন। পরিবারের জন অত্যন্ত বিষাদে ভাসে এবং প্রতিটি ক্ষুদ্র প্রমাণ খুঁজে খুঁজে বেড়ায়। মনপুরা খালপাড়ে বুধবার বিকেল ৪টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। পরিবার ও স্থানীয় মানুষের সংহতি এবং মনপুরা খালপাড়ে নিখোঁজ ছাত্রের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় কোন আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।
