পাহাড়ধসের ৯ বছর: পাহাড়ের গায়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস, দুর্ঘটনার শঙ্কা
ঘটনার প্রাথমিক স্থিতি
প হ ড়ধস র ৯ বছর – পাহাড়ধসের ৯ বছর পূর্ণ হওয়ার পর কাপ্তাই উপজেলার মানুষের স্মৃতি আজও স্পর্শ করে। ২০১৭ সালের ১৩ জুন রাতে অতিবৃষ্টির জল চাপ দেয়ার পর পাহাড়ধস ঘটনার কারণে গোটা এলাকায় ভয়াবহ তীব্রতা দেখা দেয়। দুর্যোগে পাহাড়ের কোণাকোণে গৃহ ভাঙা, মানুষের নিরাপত্তি হারানো ও সবজি খেত বিপর্যয়ের শিকার হয়েছিল। সেদিন সাত বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের স্থায়ী ক্ষতি হয়েছিল এবং তার ফলে প্রাণ হারায় প্রায় ১৮ জন মানুষ বিদেহী হয়েছিলেন। তখন থেকে এই এলাকার মানুষ ভূমিহীন হওয়া এবং ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস নিয়ে সম্পূর্ণ পরিবারগুলো বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে বসবাস করছে। পাহাড়ধসের ঘটনা যে সময় পর্যন্ত প্রতিক্রিয়া করতে পারেনি, তা আজও এই স্থানে মানুষের পাশে উপস্থিত রয়েছে।
আধুনিক ঝুঁকি ও পরিস্থিতি
পাহাড়ধসের পরিস্থিতি আজও পরিবর্তন হয়নি বলে বিশ্বাস করা যায়। ঢাকাইয়া কলোনিতে অনেক মানুষ এখনও পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করছেন। বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টির কারণে এই অঞ্চলে আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবহার করা হয়েছিল, কিন্তু স্থায়ী পুনর্বাসন বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। নিয়মিত ভাবে বৃষ্টির জল তৈরি হওয়ায় ঝুঁকিতে বসবাসকারীদের দুর্ঘটনার আশঙ্কা অপরিহার্য। কাপ্তাই উপজেলার অধিবাসীদের এখনও পাহাড়ধস ঘটনার জন্য সতর্ক থাকতে হয়। বিশেষ করে নিম্ন স্তরে স্থাপিত বাসা ঝুঁকি দ্বারা স্থায়িত্ব হারাচ্ছে। যদি পাহাড়ধস ঘটনার প্রতিক্রিয়া বিষয়ে সময় আছে তবে সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে।
বর্তমান প্রশাসন ও মুক্তি আশা
বর্তমানে কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের ডেটাবেজ করা হচ্ছে এবং তাদের ভূমিহীন হওয়া নিশ্চিত হবে না কি সে বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশ অনুযায়ী আমরা বাসিন্তা নিয়ে আসি আশ্রয়কেন্দ্রে। এর মাধ্যমে পাহাড়ধসের সাথে জড়িত অঞ্চলগুলোর বাসিন্তা নিশ্চিত হওয়া যেতে পারে। তবে পাহাড়ধসের স্থায়ী ক্ষতি হারানো অব্যাহত রয
