ধর্ষণ মামলার আসামি জিসানকে ‘সুস্থ’ বলছে মেডিকেল বোর্ড, যেকোনো মুহূর্তে ছাড়পত্র
মেডিকেল বোর্ডের মূল্যায়ন প্রতিবেদন বিশ্লেষণ
ধর ষণ ম মল র আস ম – ধর্ষণ মামলার আসামি জিসান মিয়া এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, যার পর্যালোচনা করেছে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিকেল বোর্ড। পর্যবেক্ষণের পরিণতি অনুযায়ী তাঁর শারীরিক অবস্থার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বোর্ড তাদের মূল্যায়ন প্রতিবেদন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিয়েছে, যাতে তাঁর চিকিৎসার নথি এবং বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফল অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা তাঁর শরীরে গুরুতর কোনো জটিলতা নোটিশ করেনি, যা তাঁকে ছাড়পত্রের কথা ভাবতে পারে।
তদন্তের পর পুলিশ এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মধ্যে বিষয়টি আলোচনার জন্য বোর্ডের নথি প্রস্তুত করা হয়েছে। হাসপাতালের সহকারী পরিচালক নিশাত সুলতানা জানান, সব সদস্যের স্বাক্ষর পেলে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তাঁকে যে কোনো মুহূর্তে ছাড় দেওয়া যেতে পারে। পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, তাঁর অবস্থার মূল্যায়ন পর সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
“রোগীর সার্বিক শারীরিক অবস্থা উদ্বেগজনক বলে প্রতীয়মান হয়নি,” মেডিকেল বোর্ডের সদস্যসচিব মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান মজুমদার ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, চিকিৎসার প্রক্রিয়া দ্বারা তাঁর স্বাস্থ্য বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও স্বাস্থ্য স্থিতি গৃহীত হয়েছে, কিন্তু সময় নির্ভর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
জিসান মিয়ার অবস্থা বিশ্লেষণ
গত শুক্রবার রাতে লাকসাম রেলওয়ে জংশন থেকে জিসান মিয়া উদ্ধার করা হয়, যার পর তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। পরিবারের দাবি, তিনি নিখোঁজ ছিলেন এবং অচেতন অবস্থায় তাঁকে পাওয়া গেছে। তবে পুলিশের দাবি, তাঁকে অপহরণ করা হয়নি; তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। এ বিষয়ে আদালত নির্দেশনা দিয়েছেন, যাতে মেডিকেল বোর্ডের মূল্যায়ন পর তাঁকে ছাড়পত্র পেতে পারেন। এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে সম্পূর্ণ পরীক্ষা পর তাঁর জরুরী অবস্থার উপর ভিত্তি করে।
বিষয়টি নিয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সংগঠনে আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসছে। জিসান মিয়া ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন। তাঁর সাথে ধর্ষণ মামলার সম্পর্কে তথ্য আলোচনার জন্য পুলিশ এবং সংগঠন সম্পর্কে প্রস্তাব পেয়েছেন। স্বাস্থ্য স্থিতির মূল্যায়নের পর তাঁকে ছাড়পত্র দেওয়ার সম্ভাবনা উপস্থিত হয়েছে।
পরিবার তাঁর কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার কাছে আশা করে
