জয়পুরহাট-মোকামতলা: সড়কে নিম্নমানের কাজ
জয়প রহ ট ম ক মতল – জয়প রহ ট ম ক মতল সড়ক প্রকল্পের স্থানীয় বাসিন্দারা সম্প্রতি নির্মাণ কাজের গুণাঙ্ক নিয়ে বিশেষ চিন্তা প্রকাশ করেছেন। জয়পুরহাট থেকে মোকামতলা সংযোগকারী আঞ্চলিক মহাসড়কের একটি অংশে ইটের খোয়া বিছানোর কাজ চলছে, যার মান সাধারণ পরিবহন যন্ত্রের চাকার চাপে ভেঙে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কিছু কর্মী মন্তব্য করেছেন যে নিম্নমানের মাটি ব্যবহারে সড়কটি আয়ুষ্কার হবে না, যার ফলে শীতকালীন বৃষ্টি পর্যন্ত আটকে থাকবে। এই সড়কটি স্থানীয় পরিবহন এবং আর্থিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছিল, কিন্তু গুণ নিয়ে চিন্তা জাগছে।
প্রকল্পের বিশেষ বৈশিষ্ট্য ও কাজের পরিস্থিতি
প্রকল্পটি আক্কেলপুরের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হুজাইফার ট্রেডার্স করছে, যার ব্যয় ১ কোটি ১৭ লাখ ৫৫ হাজার ৭৭৪ টাকা। কাজ শুরু হয়েছিল ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর, যার প্রত্যাশিত সমাপ্তি ছিল ২০২৫ সালের ৪ ডিসেম্বর। কিন্তু এখনও কাজ সম্পূর্ণ হয়নি এবং সাধারণ পরিবহন যন্ত্রের চাকার চাপে খোয়া ভেঙে যাওয়ার ঘটনা দেখা যাচ্ছে। সুড়াইল গ্রামের খায়রুল ও আবু তাহের মন্তব্য করেছেন যে সড়কের শেষ অংশে ৩ নম্বর ইটের খোয়া বিছানো হচ্ছে, যা ধুলার মতো নরম মাটি হতে চলছে।
“আমাদের বাসস্থানে প্রথম বর্ষাতেই ধস হওয়া সম্ভব। আমরা স্থানীয় বাসিন্দা বারবার মান নিয়ে অভিযোগ জানাচ্ছি, কিন্তু কোনো প্রতিক্রিয়া পাই নি।” – সুড়াইল গ্রামের সুজাউল বলেন।
স্থানীয় সংস্থাগুলি এবং স্বাধীন নাগরিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে জয়প রহ ট ম ক মতল সড়কের গুণাঙ্ক নিয়ে। তাদের মতে, খোয়া বিছানোর কাজে আয়তন ছাড়া গুণ নিয়ে কোনো বিশেষ পরিচয় নেই। কাজের সময় সারা সময় উন্নতমানের খোয়া ব্যবহারের দাবি করেছিলেন হুজাইফার ট্রেডার্সের মালিক মামুন হাসান। কিন্তু বাস্তবে সুড়াইল গ্রামবাসীরা দেখছেন এই দাবি পূরণ হচ্ছে না।
মান নিয়ে বিশেষ চিন্তা
জয়প রহ ট ম ক মতল সড়ক তৈরি করার প্রকল্পটি প্রতিষ্ঠান প্রধানত পরিবহন প্রয়োজনীয়তা পূরণের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। কিন্তু নিম্নমানের খোয়া ব্যবহারে সাধারণ সাইকেল বা ভ্যান গাড়ির চাকার চাপে রাস্তার সামগ্রিক গুণ খারাপ হতে শুরু করেছে। সড়কে কিছু অংশে খোয়া প্রতি কিলোমিটার পরিমাণ কম হওয়া ও খ�
