চামড়া বিক্রি হচ্ছে না, মাটিতে পুঁতে ফেলল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ
চ মড় ব ক র হচ ছ – লক্ষ্মীপুর জেলার মৌসুমি ব্যবসায়ীদের চামড়া বিক্রি হচ্ছে না বলে অভিযোগ শোনা গেছে। বিপুল সংখ্যক পশুর চামড়া সংগ্রহ করা হয়েছে, কিন্তু ক্রেতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। ক্ষোভে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ চামড়া মাটিতে পুঁতে ফেলেছেন। এই ক্ষেত্রে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার রামনগর মাদিনাতুল উলুম দাখিল মাদ্রাসায় চামড়া বিক্রি হচ্ছে না বলে অভিযোগ প্রাপ্ত হয়েছে। তারা কেন্দ্রীয় কারণে বিপুল পরিমাণে চামড়া নিয়ে কোনো ক্রেতার সাথে যোগাযোগ করতে পারেননি।
ব্যবসায়ীদের সমস্যা ও অবস্থা
আগে চামড়া বিক্রি হচ্ছে না বলে মৌসুমি ব্যবসায়ীদের অসুবিধার কথা শোনা গেছে। শ্রমিক ও গাড়ি ভাড়া খরচের কারণে তারা ক্রেতা খুঁজে বের হননি। এতে মাদ্রাসা তহবিল প্রায় ১৫০টি চামড়া নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হয়েছে যে কারণে চামড়া বিক্রি হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
দামের সমস্যা ও বাজার পরিস্থিতি
লবণের আকাশচুম্বী দাম ও শ্রমিকের চড়া মজুরির কারণে চামড়া বিক্রি হচ্ছে না। বড় আড়তদারদের পুরো প্রাপ্ত মূল্যের বাইরে কেউ চামড়া কিনছেন না। অনেকে পানির দরে চামড়া বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন। রায়পুর ও রামগঞ্জ উপজেলায় দুর্দান্ত দামে বিক্রি হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিপুল চামড়া সংগ্রহের পর কর্তৃপক্ষ এগুলো মাটিতে পুঁতে ফেলেছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আগে আড়তদার সংগ্রহ করতে পারেননি কারণ দাম কমে গেছে। অত্যাধিক গরমে চামড়া পচতে শুরু করেছে যা পরিবেশ রক্ষার জন্য এগুলো মাটিচাপা দিতে হয়েছে। এতে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের আর্থিক সমস্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।
যেহেতু চামড়া বিক্রি হচ্ছে না বলে মৌসুমি ব্যবসায়ীদের তহবিল সংগ্রহে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তারা স্থানীয় উপজেলাগুলোতে চামড়া পুঁতে ফেলার কাজ করেছেন। রামগতি ও কমলনগর উপজেলার বাসিন্দারা চামড়া বিক্রি হচ্ছে না বলে বিশেষ ধরনের সমস্যা অনুভব করছেন। এটি ছাড়াও দাম বাজারে নিয়ন্ত্রণহীন হওয়ার কারণে কেউ চামড়া কিনছেন না।
বর্তমানে লক্ষ্মীপুর জেলার সদর ও অন্যান্য উপজেলাগুলোতে চামড়া বিক্রি হচ্ছে না বলে অভিযোগ প্রাপ্ত হয়েছে। আগে চ
