কাদায় ডোবা সড়কে ধানের চারা রোপণ করে প্রতিবাদ
ক দ য় ড ব সড়ক ধ – পরশুরাম উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নের দক্ষিণ কাউতলী গ্রামে কাদায় ডোবা সড়ক বর্তমানে চলাচলের অযোগ্য হয়ে আসছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কটি কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে এবং গাড়ি, রিকশা বা অটোরিকশা চলাচলের সম্ভাবনা নেই। এই অবস্থা দেখে বাসিন্দারা অত্যন্ত অস্পষ্ট বোধ করছেন এবং কাদামাখা সড়কে ধানের চারা রোপণ করেছেন যাতে কর্তৃপক্ষের মনোযোগ আকর্ষণ করা যায়। আবহাওয়া বিপর্যয়ের ফলে সড়কটি প্রতিদিন বিশৃংখলিত হয়ে ওঠে এবং সেখানে মানুষ জুতা হাতে হাঁটতে বাধ্য হয়।
বর্ষা শুরু হওয়ার পর কাদায় ডোবা সড়কে সমস্যা আরও গুরুতর হয়ে উঠেছে। যানবাহন চলাচলের কোন সুবিধা থাকায় বাসিন্দাদের মাঝে প্রতিবাদের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার দিকে সম্পূর্ণ অবিকার পরিস্থিতি দেখায়। আবহাওয়া বিপর্যয়ের কারণে রাস্তা প্রতিদিন জলপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং কাউতলী গ্রামের মানুষ এখনও সামান্য বৃষ্টি হলে সড়কে প্রবেশ করতে বাধ্য হয়ে থাকেন।
বাসিন্দাদের কষ্ট ও প্রতিবাদ
আমরা দীর্ঘ সময় ধরে কাদায় ডোবা সড়ক জনপ্রতিনিধির কাছে তোলাচাই করছি। এই রাস্তা দেখে মনে হয় ধানের চারা রোপণ করা হয়েছে এবং এখন কাউতলী গ্রামে কার্যত বিপর্যয়ের কোন সীমা নেই।
মহসিন মজুমদার কাদায় ডোবা সড়কের অবস্থা নিয়ে বলেন, `এই সড়ক আমাদের শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। এতে রোগীদের হাসপাতালে নেওয়াও অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এই অবস্থা আমাদের জীবন জুড়ে কষ্ট দিচ্ছে।’
কাদামাখা সড়কে কোন কর্মসূচি নেই বলে মনে হয়। আমাদের এ সড়কে ধানের চারা রোপণ করার প্রয়োজন হয়েছে যাতে কর্তৃপক্ষ আমাদের কষ্ট দেখতে পায়।’
মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, `এই দুর্ভোগ বহু বছরের হয়েছে। কাদায় ডোবা সড়কের সমস্যা দেখে কেউ বারবার আবেদন করেছে কিন্তু কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ অবিকার পরিস্থিতি দেখায়।’
পরিষদের কর্মকর্তার বিবৃতি
মির্জানগর ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন জানান, কাদায় ডোবা সড়ক অবস্থা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কিছু সময় পর প্রকল্প অনুমোদন হলে টেকসইভাবে সংস্কার করা হবে। তিনি বলেন, `আমরা প্রতিবাদ দেখে মনে হয় কাদামাখা সড়কে প্রাথমিক পরিবর্তন ঘটতে পারে।’
পরশুরাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতনু বড়ুয়া বলেন, `আমি সম্প্রতি এখানে যোগদান করেছি এবং কাদায় ডোবা সড়কের বিষয়টি ঘটনাস্থলে একটি প্রতিনিধিদল পাঠানো হয�
