১৮ বছরের পরকীয়া সম্পর্কের জেরে হত্যা, এক বছর পর রহস্য উদ্ঘাটন
১৮ বছর র পরক য় সম পর – কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে গত বছরের (২০২৫ সালের) ২ জুলাই ঘটে যাওয়া জাহাঙ্গীর মিয়া (৪২) নামে এক ব্যক্তির হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ঘটনার পর থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুদের তত্ত্বাবধানে এবং এসআই মাহবুব আলমের নেতৃত্বে তদন্ত দল অবিলম্বে ক্রমাগত অনুসন্ধান চালিয়েছে। গত বছরের ২ জুলাই বিকেলে জাহাঙ্গীর মিয়া নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। পরিবার লোকজন তাঁর মোবাইলে কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। পরদিন ৩ জুলাই বিকেলে পুলিশ বড়খারচর এলাকার একটি নেপিয়ার ঘাসের জমিতে তাঁর ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার করে।
এ মামলায় জাহাঙ্গীরের মা দিলুয়ারা বাদী হয়ে কুলিয়ারচর থানায় ৪ জুলাই অজ্ঞাতনামা আসামি নির্দেশ দিয়ে হত্যা মামলা করেন। থানা ও পুলিশ টানা দুই মাস তদন্ত করলেও হত্যাকাণ্ডের কোনো কারণ খুঁজে বার করতে পারেনি। পরবর্তী সময়ে পিবিআই কিশোরগঞ্জ জেলা ইউনিট নিজে তদন্তভার গ্রহণ করে।
পিবিআই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, নিহত জাহাঙ্গীরের সঙ্গে হুসনা খাতুনের দীর্ঘ ১৮ বছরের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিয়ের আগে শুরু হওয়া সম্পর্কটি তাঁর বিয়ের পরও অবিচ্ছিন্ন ছিল। কয়েক বছর বিরতি হলেও হত্যার আনুমানিক তিন বছর আগে থেকে তাঁদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও মেলামেশা শুরু হয়।
পরিদর্শক মো. নবী হোসেন খান এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা পিবিআই কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। এ ঘটনায় হুসনা খাতুনকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই তাঁর স্বামী শহীদ মিয়াকে পরে গ্রেপ্তার করেন। হুসনার স্বামী তাঁর স্ত্রীকে ঘরে না পেয়ে সন্দেহ করে ছুরি নিয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। মাঝখানে ঘাসের জমিতে আপত্তিকর অবস্থায় তাঁদের দেখে ফেলেন শহীদ। দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ও তাৎক্ষণিক উত্তেজনার বশে তিনি ছুরি দিয়ে জাহাঙ্গীরের পিঠে ও সংবেদনশীল অঙ্গে আঘাত করে হত্যা করেন।
১ জুন বড়খারচর এলাকায় হুসনা খাতুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার পর দিন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বড়পুল এলাকা থেকে তাঁর স্বামী শহীদ মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। শহীদ মিয়া গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে কিশোরগঞ্জ সিন
