Bangladesh

হাওরে কৃষকের নিরানন্দ ঈদ

হাওরে কৃষকদের নিরানন্দ ঈদের মুখে পড়েছে গুরুতর আক্রমণ

হ ওর ক ষক র ন র – বর্ষার অতিবৃষ্টি ও ঢলের জলের কারণে হাওরে কৃষকদের নিরানন্দ ঈদে অস্থায়ী দুঃখের মুখে পড়তে হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নিরানন্দ প্রেম করছেন কৃষকরা যারা বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। যদিও ঈদ উপলক্ষে সাধারণত মুখে মুখে খুশি বা আনন্দের ভাষা ব্যবহার করা হয়, কিন্তু হাওরে কৃষকদের স্থায়ী বিপর্যয়ের মুখে একটি সত্যিকার দুঃখ নেমে আসছে। এদের পরিবারের জন্য কাপড় কিনতে পারেননি কারণ সম্পূর্ণ ধান প্রায় নষ্ট হয়েছে। কিছু কৃষক খড় না পেয়ে গৃহপালিত প্রাণীকে পানির দরে বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন।

হাওরে কৃষকদের ধানের ক্ষতি সম্পূর্ণ হয়েছে

নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুরী উপজেলার সদর গ্রামে আরিফুজ্জামান মল্লিক বলেন, আট একর জমি বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করেছিলাম। কিন্তু অতিবৃষ্টির কারণে ধান ও অন্যান্য ফসল তলিয়ে গেছে। এমন ক্ষতিতে কেউ কেউ উচ্চ দামে শ্রমিক দিয়ে কাটানো হলেও ক্ষতিগ্রস্ত ফসল ঘরে তুলতে পারেনি। বৃষ্টির কারণে ফসল শুকাতে পারেনি এবং পরিবারের খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে।

‘আট একর জমি বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করেছিলাম। কিন্তু অতিবৃষ্টির কারণে ফসল তলিয়ে যায়। কিছু জমির ধান উচ্চ দামে শ্রমিক দিয়ে কাটানো হলেও ঘরে তুলতে পারিনি। বৃষ্টির কারণে কাটা ফসল শুকাতে পারেনি।’

হাওরে ফসল ও পরিবারের স্থায়ী ক্ষতি

একই উপজেলার গছিখাই গ্রামে কৃষক হালিম মিয়া বলেন, এই একটি ফসলের ওপর আমাদের সারা বছরের খরচ নির্ভর করে। ফসল শেষ মানে আমাদের সবকিছু শেষ। যে কোনো ক্ষতির সাথে নিরানন্দ ঈদ মনে করতে পারছেন না কৃষকরা। সম্পূর্ণ ধান নষ্ট হয়ে গেছে এবং সম্প্রসারিত ক্ষতি আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

‘সব ধান কাটতে না পারায় প্রয়োজনীয় খড়ও পাওয়া যায়নি। পরিবারের জন্য কাপড় কিনতে পারেননি। সেই সাথে আরও কঠিন অবস্থা হয়েছে হাওরের কৃষকদের।’

হাওরে কৃষকদের নিরানন্দ ঈদের প্রতিক্রিয়া হিসেবে সম্পূর্ণ মুখে মুখে দুঃখের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। এখন পরিবারের আর্থিক স্থিতি প্রায় নিঃসার হয়ে গেছে। যে কোনো পরিবারের খরচ হাওরে কৃষকদের পাল্টা সমস্যার সামনে আসছে। এই ক্ষতির কারণে হাওরে কৃষকদের ঈদ মুখে মুখে দুঃখের পরিবেশ ত

Leave a Comment