সেতু অর্ধেক কাজেই মেয়াদ শেষ, জনগণের সমস্যা বৃদ্ধি পেয়েছে
Banglajibon.com – স ত র অর ধ ক ক – ফটিকছড়ি উপজেলার হালদা নদীতে নির্মাণাধীন পাঁচপুকুরিয়া-সিদ্ধাশ্রম সেতুর কাজ সম্পূর্ণ হয়নি বলে জানানো হয়েছে। যদিও নির্ধারিত সময় অতিক্রম করেছে, কিন্তু আধা কাজ শেষ হয়নি। এই সেতুটির কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছিল ২০২৪ সালের ২১ জানুয়ারি। প্রকল্পের প্রাথমিক সময় ছিল ৩০ মাস, তবে চলতি বছরের ২০ জুলাইয়ের আগে সম্পন্ন হওয়ার আশা ছিল। এখন প্রকল্পের অগ্রগতি ৫৫ শতাংশ হয়েছে।
প্রকল্পের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সেতুটি দীর্ঘ ২৪০ মিটার। এর বরাদ্দ ছিল ৪৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা। তবে কার্যাদেশ পাওয়ার প্রায় এক বছর পর চূড়ান্ত নকশা হাতে পরে কাজ বিলম্ব হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সংযোগ সড়কের জমি অধিগ্রহণও প্রায় শেষ হয়নি। এ কারণে মেয়াদ বিস্তারের আবেদন করা হয়েছে। সম্প্রতি আশা করা হচ্ছে কাজ শেষ করা যাবে ২০২৭ সালের অক্টোবরের মধ্যে।
সমস্যার কারণ এবং প্রতিক্রিয়া
বর্তমানে সেতুটির পাইল, পাইল ক্যাপ এবং পিয়ার ক্যাপ নির্মাণ শেষ হয়েছে। কিন্তু গার্ডার সংযোগ, ডেক স্ল্যাব, সংযোগ সড়কসহ বিশেষ করে নদী প্রতিরক্ষা ব্লক ও বৈদ্যুতিক আলোকসজ্জা বাকি রয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স তাহের অ্যান্ড ব্রাদার্সের ব্যবস্থাপক মো. শাহিন বলেন, প্রকল্পের মূল বাধা ছিল নকশার অনুপস্থিতি। কার্যাদেশ পাওয়ার পর চূড়ান্ত নকশা আসে এবং সংযোগ সড়কের জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া অসম্পূর্ণ থাকায় কাজ পিছিয়ে পড়েছে।
“অর্থসংকট প্রকল্পের মূল বাধা নয়। সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল নকশা। কার্যাদেশ পাওয়ার পর চূড়ান্ত নকশা আসে এবং সংযোগ সড়কের জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া অসম্পূর্ণ থাকায় কাজ পিছিয়ে পড়েছে।”
অস্থায়ী সাঁকোটি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সুন্দরপুর, পূর্ব সুয়াবিল, পাঁচপুকুরিয়া, চাঁদেরঘোনা ও আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ প্রতিদিন প্রায় ১৫ কিলোমিটার ঘুরে বিবিরহাট কিংবা নাজিরহাটে যাচ্ছেন। এতে যাতায়াতে প্রায় দেড় ঘণ্টা অতিরিক্ত সময় লাগছে। প্রতিজন প্রায় ১০০ থেকে ২০০ টাকা অতিরিক্ত ভাড়া দিয

