রাজধানীতে ঈদের জন্য পশুর হাট চালু হচ্ছে
র জধ ন র পশ র হ – পবিত্র ঈদুল আজহার উপলক্ষে ঢাকার স্থায়ী পশুর হাটগুলোতে চলছে তৈরি করার প্রস্তুতি। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে গরু, মহিষ, ছাগল ও দুম্বা নিয়ে হাটে আসছেন ব্যাপারীরা। হাটের প্রবেশপথে ট্রাক থেকে পশু নামানো হচ্ছে। ছাউনি তৈরি করা, হাসিল ঘর সেটিং করা সহ সব বিষয়ে প্রস্তুতি সম্পূর্ণ।
আগামী বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া বিক্রি কাজে পরিচালনা করতে দুই সিটি করপোরেশন নির্ধারণ করেছেন। কিন্তু কয়েকটি হাটে নির্ধারিত সময়ের আগে কেনাবেচা চলছে। শাহজাহানপুর, বাড্ডার স্বদেশ প্রপার্টি, রামপুরা এবং মোস্তমাঝির হাটগুলোতে এমন আনুষ্ঠানিক পরিবেশ দেখা গেছে।
ব্যাপারীদের অভিযোগ
জামালপুর থেকে শাহজাহানপুর হাটে আসা শরিফ মিয়া বলেন, এখন কোনো গরু বিক্রি করতে পারিনি। কয়েকজন দাম নির্ধারণ করে গেছে। আরেক ব্যাপারী মো. কাউসার আরেকটি দৃশ্য দেখানো হয়েছে। তিনি জানান, তিনটি গরুর দাম করে গেছে। দুইটি গরুর দাম চাইছি ৪ লাখ ৭০ হাজার।
এখন আমরা নিষেধাজ্ঞা মেনে চলছি। কিন্তু আগ্রহী ক্রেতার সংখ্যা কম। কাল থেকে জমবে।
করিম মিয়া বলেন, হাটের সব ঠিক আছে। খালি কিছু জায়গায় বালু দিতে হবে। নাইলে গরু ঠিকমতো রাখা যাবে না। আফতাবনগরের হাটে বনশ্রীর বাসিন্দা আক্তার হোসেন বলেন, হাটটা অনেক ভেতরে হয়ে গেছে। গেট ছাড়া রাস্তা নাই। গেট থেকে এখানে রিকশায় আসতে ভাড়া ৬০ টাকা।
প্রস্তুতি ও সুবিধার পরিচয়
হাটের প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। পাইকারদের থাকার স্থান, পানি এবং গরু রাখার জায়গা সহ সব বিষয়ে সুবিধা সরবরাহ করা হয়েছে। সংগঠনের অংশগ্রহণ করে কাস্টমার এবং ব্যাপারীদের আগমন সম্ভব হবে।
আফতাবনগরের হাটে ব্যাপারীরা বলেন, মূল সড়ক থেকে হাটের দূরত্ব এবং প্রচারণার অভাবে ঈদের আমেজ তৈরি হয়নি। কিন্তু আশপাশের এলাকায় রিকশায় করে হাটের বিষয়ে জানানো হয়েছে।
আগে আসছি ভালো জায়গা ধরতে। এখন তো দেখি জায়গার অভাব নাই।
সংশ্লিষ্ট মাহমুদ হাসান শাহীন বলেন, হাট অনেক ভেতরে হওয়ায় কাস্টমার ও ব্যাপারীদের আগমন কিছুটা শঙ্কিত। কিন্তু আশা করছি কাল থেকে জনসমাগম বেড়ে যাবে।
হাটের প্রস্তুতির বিষয়ে শাহীন বলেন, ৫টি স্থানে ৪০টি ওয়াশরুম করা হয়েছে। পানির জন্য ৫টি সাবমারসিবল পাম্প বসানো হয়েছে। হাসিল বুথ, মেডিকেল টিম এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রয়োজনীয় সব বিষয়ে সুবিধা সরবরাহ করা হয়েছে।
