রাজধানীতে যান চলাচল: ক্যামেরার আতঙ্কে সড়কে শৃঙ্খলা
র জধ ন ত য ন চল – ঢাকার সড়কপথে যান চলাচল দুর্ঘটনার আশঙ্কা কমিয়ে আসা হচ্ছে ক্যামেরা ব্যবহারের মাধ্যমে। গত দুই মাসে অনেক পরিবর্তন ঘটেছে রাজপথের পরিস্থিতিতে যখন সিগন্যাল ক্যামেরা ও এআই প্রযুক্তি প্রবর্তন করা হয়েছে। গত ২৪ মে দেখা গেল কারওয়ান বাজার মোড়ে সামনের যানবাহনগুলো সাদা দাগের আগে থেমে দাঁড়ানোর বিষয়ে একটি প্রতিবেদক ফার্মগেট থেকে বাংলামোটর অভিমুখী সড়ক থেকে দেখেন। তিনি বলেন, ট্রাফিক সিগন্যালে লাল বাতি জ্বলার সঙ্গে সঙ্গে যানবাহনগুলো দাগের সামনে থামছে। কোনও কারও দাগ পেরিয়ে যাওয়ার জন্য প্রচুর চালকের আতঙ্ক প্রকাশ পেয়েছে। এ প্রতিবেদক ফার্মগেট থেকে দেখেন যে একটি প্রাইভেট কার সামনের চাকা দাগের বাইরে চলে গিয়েছিল। সেটি কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে পিছনে ফিরেছে চালক। যান নিয়ন্ত্রণে সতর্ক হওয়া এখন চালকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। কারণ ক্যামেরার ক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে মামলা তৈরির প্রক্রিয়াটি।
ট্রাফিক আইন ভঙ্গের সময়ে ক্যামেরার ভূমিকা
রাজধানীতে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য এআই ক্যামেরা প্রবর্তন করা হয়েছে। ট্রাফিক সিগন্যাল ক্ষেত্রে চালকদের আতঙ্ক অনেকটা বাড়িয়েছে যেহেতু যান পরিচালনার মানদণ্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাড়িয়েছে। ডিএমপি বিষয়টি প্রকাশ করেছে যে শুরুতে ঢাকার উত্তরা, বিমানবন্দর সড়ক, মহাখালী, বিজয় সরণি, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, বাংলামোটর, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের মোড়গুলোতে ১০৫টি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। যানবাহনের সঠিক নিয়মাবলী মেনে চলার ক্ষেত্রে তথ্য সংগ্রহের সুবিধা এআই ক্যামেরা দিয়ে হচ্ছে। এতে প্রতিবেদক দেখেছেন যে সামনের গাড়িগুলো ক্ষণে ক্ষণে পিছনে ফিরে আসছে যানবাহন চালকদের পক্ষ থেকে আতঙ্ক ও সতর্কতা।
“সিগন্যাল পড়ার সঙ্গে সঙ্গে থেমেছি। কিন্তু গতি একটু বেশি থাকায় সাদা দাগের একটু সামনে চলে গিয়েছিলাম। তাই আবার পেছনে চলে আসি। কারণ কখন আবার মামলা দিয়ে দেয়! আগে ট্রাফিক পুলিশ এগিয়ে এলে নানা অজুহাত দিয়ে পার পাওয়া যেত। কিন্তু এখন নাকি ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও দেখে মামলা হয়। তাই দুই মিনিট দেরি হলেও মামলার ঝামেলায় পড়তে চাই না,” বলেন আনোয়ার হোসেন।
ক্যামেরার দৃষ্টি কারওয়ান বাজার মোড়ে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ �
