Bangladesh

রাঙামাটিতে ভারী বর্ষণে পাহাড় ধসের শঙ্কা, বেড়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদন

রাঙামাটি অঞ্চলে বৃষ্টির ফলে ধস হারিয়েছে নতুন ক্ষতি

র ঙ ম ট ত ভ র – বিশাল পরিমাণে বৃষ্টির ফলে কাপ্তাই হ্রদে পানির স্তর দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সেই বিস্তারে উৎপাদন বৃদ্ধি হয়েছে কাপ্তাই পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্রে। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পাঁচটি ইউনিট একত্রে চালু করা হয়েছে এই কেন্দ্রে। এখন বিদ্যুৎ উৎপাদন মোট ১৪৪ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে যা দেশের বর্তমান বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

বর্ষণের সুবাদে পানির স্তর বৃদ্ধির ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে স্বস্তি ফিরেছে। তবে রাঙামাটি জেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে। বেশ কয়েকটি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে এবং বাঘাইছড়িতে একজনের প্রাণহানি হয়েছে।

“গত কয়েক দিনে টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে কাপ্তাই লেকের পানির স্তর সন্তোষজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এজন্য মঙ্গলবার রাতে আমরা পাঁচটি ইউনিট চালু করতে সক্ষম হয়েছি যাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত থাকে।” – কাপ্তাই পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান

সম্প্রতি প্রতিটি ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সংখ্যা হিসাবে দেখা যাচ্ছে: ১ ও ২ নম্বর ইউনিট থেকে প্রতিটি থেকে ৩২ মেগাওয়াট, ৩ নম্বর ইউনিট থেকে ৩০ মেগাওয়াট এবং ৪ ও ৫ নম্বর ইউনিট থেকে প্রতিটি থেকে ২৫ মেগাওয়াট।

অব্যাহত বসতি ও বাসিন্দাদের ঝুঁকি

২০১৭ সালে রাঙামাটি জেলায় একটি ভয়াবহ ধসে সেনার সদস্য সহ ১২০ জনের প্রাণহানি হয়েছিল। ২০১৮ সালে আরও ১১ জনের প্রাণহানির পর ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মানুষ বসতি স্থাপন করছেন অব্যাহতভাবে। বর্তমানে রাঙামাটি জেলার পাহাড়ি এলাকাগুলোতে অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ বসবাস করছেন চরম ঝুঁকির মধ্যে।

জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী বলেন, “টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে প্রাণহানির সম্ভাবনা থাকায় সচেতনতামূলক প্রচারণা করা হচ্ছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে সরে আসতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

প্রশাসন দ্বারা সম্প্রতি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে রাঙামাটির পৌর এলাকার স্থানগুলো যেমন শিমুলতলী, রূপনগর, নতুনপাড়া, যুব উন্নয়ন এলাকা, রিজার্ভ বাজার, ভেদভেদি এবং লোকনাথ মন্দির এলাকা সহ ২৮টি জায়গা। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয় দেওয়ার জন্য ফায়ার সার্ভিস ও পৌরসভার সহযোগে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে জেলায় মোট ১০৪টি আশ্রয়কেন্দ্র �

Leave a Comment