মোবাইল চুরির অভিযোগে কিশোরদ্বয়কে গাছে বেঁধে মারধর ঘটেছে
ম ব ইল চ র র অপব – মোবাইল চুরির অভিযোগ দিয়ে দুই কিশোরকে গাছে বেঁধে মারধরের ঘটনা হাছনা গ্রামে ঘটেছে, যেটি হালুদীয়া প্রান্তে সংঘটিত হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিস্তার লাভ করে। ঘটনার স্থান হল গাজীপুর ইউনিয়নের ডুলনা গ্রাম, যেখানে দুই কিশোরকে চুরি অপবাদ দিয়ে হাত-পা ধরে মারধর করা হয়। ভুক্তভোগী পরিবার চুনারুঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন এবং ঘটনার সত্যতা প্রমাণের জন্য পুলিশের পরিচালনার আওতায় প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।
অপরাধের বিস্তার এবং শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা
গত মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুর তিনটার দিকে ঘটনাটি ঘটে। সেই সময় ডুলনা গ্রামের সানু মিয়ার ছেলে রুবেল মিয়া (১২ বছর) এবং ছয়শ্রী গ্রামের মৃত মীর হোসেনের ছেলে হাছন আলী (১৬ বছর) গাজীপুর ইউনিয়নের একটি জমিতে মাছ ধরতে গিয়েছিল। তাদের প্রতি মোবাইল চুরির অভিযোগ উঠেছিল এবং লোকজন তাদের প্রতি মারধরের ব্যবস্থা নিয়েছিল। এ অপবাদের প্রকৃত কারণ খুঁজে বার্তা প্রসার করতে গিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ঘটনাটি চাঞ্চল্য ছড়ানো হয়।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি অনুযায়ী, মোবাইল চুরির অভিযোগ জানানোর পর ছেলেদ্বয়কে অনুমান করে মারধর করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা দাবি জানায়, তাদের হাত-পা ধরে গাছে বেঁধে শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়েছে, যার ফলে তাদের অস্থির হওয়া হয়েছে। অভিযোগে জানা গেছে যে, মারধরের সময় পরিবারের কাছে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছিল।
“আমার ছেলেকে মোবাইল চুরির অভিযোগ দিয়ে হাত-পা ধরে গাছে বেঁধে মারধর করা হয়েছিল। যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের বিচার চাই। আমার ছেলে দুই দিন আগে অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছিল এবং তার সাথে তাদের প্রতি মোবাইল চুরির অভিযোগ দিয়ে হামলা করা হয়েছিল।”
পুলিশ সংঘটনা তদন্তে সক্রিয়
চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, ভিডিও প্রকাশের পর তার মোবাইল চুরির ঘটনা নিয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। অভিযোগ স্থাপনের পর পুলিশ ঘটনাস্থল ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের খোঁজখবর নিয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনার বিস্তার নিয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচাই করছেন, যাতে মোবাইল চুরির অপরাধ সঠিক ভাবে প্রমাণ করা যায়।
পরিবার বিশ্বাস করেন যে, মোবাইল চুরির অভিযোগ জানানোর পর কিশোরদ্বয়কে সামাজিক চাপে মারধর করা হয়েছে। তাদের পরিবার অভিযোগে জানিয়েছে যে মারধরের সময় ব্যক্তিদ্বয়কে অনেক বেদনাদায়ক শাস্তি দেওয়া হয়েছে। যারা আসলে চুরির অপরাধ করেছিল, তাদের প্রতি মোবাইল চুরির অভিযোগ দিয়ে হামলা করা হয়েছে।
অপরাধ ঘটনার পর কিশোরদ্বয় বিস্তার পেয়েছে। এটি মোবাইল চুরির প্রতি নির্যাতন সংক্রান্ত প্রক্রিয়া পরিচাল
