Bangladesh

মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালুর পরিকল্পনা সরকারের: স্থলবন্দর চেয়ারম্যান

সরকারের মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা

ম গলহ ট স থলবন দর প – বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান ঘোষণা করেন যে সরকার মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা প্রস্তুত করছে। এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে সরকারি কর্মকর্তারা বৃহস্পতিবার সকালে লালমনিরহাট সদর উপজেলার পরিত্যক্ত মোগলহাট স্থলবন্দর এলাকায় পরিদর্শন করেন। এ পরিদর্শনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি ঘোষণা করেন যে এ স্থলবন্দর সরকার দ্বারা পুনরায় চালু করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বিকাশের প্রতি স্থলবন্দরের ভূমিকা পুনরায় গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

মোগলহাট স্থলবন্দরের ঐতিহ্য ও প্রয়োজনীয়তা

‘মোগলহাট স্থলবন্দর উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী স্থান। এটি অত্যন্ত পুরোনো এবং জনপ্রিয় স্থান। এখনও যানবাহন ও পণ্য পরিবহনের কাজ করেছিল। এখন সরকার এ বন্দরের কাজ পুনরায় চালু করার জন্য উদ্যোগ নিয়েছে। ভবিষ্যতে কীভাবে কাজ চালিয়ে যেতে পারে সে বিষয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে।’

মোগলহাট স্থলবন্দর বাংলাদেশের জাতীয় স্তরে গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসাবে কাজ করে আসছে। এটি উত্তরবঙ্গের অর্থনৈতিক এবং পরিবহন প্রয়োজনীয়তা পূরণে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে। স্থলবন্দরটি পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা সরকারের দ্বারা নেওয়া হয়েছে, যা স্থানীয় অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্থায়ী করে তোলার জন্য কার্যত সর্বোচ্চ প্রতিশ্রুতি হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে মোগলহাট স্থলবন্দর বৃহৎ পরিমাণে বাণিজ্যিক পণ্য এবং যানবাহন বিস্তৃত করতে পারে যদি আবার চালু করা হয়। এই প্রস্তাবের পেছনে উত্তরবঙ্গের স্থানীয় উন্নয়ন এবং প্রতিষ্ঠানগুলির অপারেশন ক্ষমতা বৃদ্ধি করার স্থায়ী কাজের প্রয়োজনীয়তা ছাড়া অন্য কিছু নেই।

পরিদর্শন ও সরকারি দপ্তরগুলির ভূমিকা

মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান দ্বারা ঘোষিত পরিকল্পনার প্রস্তাব দ্বারা স্থানীয় মন্ত্রিসভার আলোচনায় এ বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সরকারের প্রাথমিক ধাপে এ পরিদর্শন হয়েছে বলে তিনি ঘোষণা করেন। পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক প্রধান, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হক এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের বিশেষজ্ঞরা এ বন্দরের বিস্তার এবং আবার চালু করার ক্ষমতা নির্ণয়ে সাহায্য করছেন।

এই স্থলবন্দর পুনরায় চালু করার পরিকল্পনার প্রস্তাবে বিভিন্ন দপ্তরের সহযোগিতা করছে। এ প্রস্তাবের পিছনে বাংলাদেশ পরিবহন বিভাগ এবং জাতীয় পরিবহন প্রকল্পের সরাসরি অংশগ্রহণ হয়েছে। তাদের মতে মোগলহাট স্থলবন্দর যদি আবার চালু করা হয়, তবে পুনরায় বৃদ্ধি করা যাবে দক্ষ পরিবহন এবং স্থায়ী আয় সৃষ্টি। এই বন্দরটি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক যান

Leave a Comment