বিচার বিলম্বিত করতেই ডলারের নাম: ডিএমপি কমিশনার
ব চ র ব লম ব ত – ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ ঘোষণা করেন যে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় বিচারপ্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করতে আসামিপক্ষ বিভিন্ন ধরনের কৌশল ব্যবহার করছে। পল্লবীতে আয়োজিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, মামলার আসামিরা অন্য ব্যক্তির নাম তুলে আসার চেষ্টা করছে এবং এটি বিচারপ্রক্রিয়াকে প্রায় দুই মাস বিলম্বিত করার একটি প্রধান কৌশল। তবে তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে, তাদের বাইরে অন্য কারও সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানান কমিশনার। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়মিত চেক করছে এবং বিচারপ্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের বিভ্রান্তি ঘটানো হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করতে চেষ্টা করছে।
কেন ডলারের নাম প্রভাবশালী হয়ে উঠছে
বিচারপ্রক্রিয়ায় বিলম্বিত করতে আসামিপক্ষ নাম বিন্যাস করছে বলে কমিশনার মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, মামলার আসামিরা অন্য ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে সাক্ষী বা বর্ণনায় অস্পষ্টতা সৃষ্টি করছে। এ কৌশলের ফলে আসামি বিচারপ্রক্রিয়া পরিচালনার সময় আরও বিলম্বিত হয়ে উঠছে। যদিও তদন্তে বর্তমান আসামির বাইরে অন্য কারও সম্পৃক্ততার প্রমাণ খুঁজে পাওয়া যায়নি, তবু বিচার প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ আটকে রাখার উদ্দেশ্যে সে প্রমাণ প্রস্তুত করা হচ্ছে। ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, আসামির কৌশল সামনে আসার সাথে সাথে তদন্ত গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে চলছে এবং তাদের কোনো নিঃসন্দেহ প্রমাণ ছাড়া আসামির বিলম্বনের কোনো মূল্য নেই।
ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ জানান যে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রক্রিয়া সাময়িক সময় বিলম্বিত করতে পারে। তিনি বলেন, আসামিপক্ষ বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ বাড়ানোর প্রচেষ্টা করছে এবং এগুলি বিচারপ্রক্রিয়াকে আরও দীর্ঘায়িত করার জন্য ব্যবহার করছে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সচেতন হয়েছে এবং বিচারপ্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে পরিদৃশ্যমান কৌশল সম্পর্কে নিয়মিত চেক করছে। তদন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার কারণ হল এটি পরিচালনার সাথে সাথে সত্যতা নিশ্চিত করে
