Bangladesh

বাগেরহাটের ফকিরহাট: আর্সেনিকযুক্ত পানিই ভরসা

বাগেরহাটের ফকিরহাট: আর্সেনিকযুক্ত পানিই ভরসা

ব গ রহ ট র ফক রহ – ফকিরহাট উপজেলায় সুপেয় পানির সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারি সংস্থা দ্বারা পরিচালিত ব্যবস্থা অপরিপাক থাকায় অধিকাংশ সাধারণ মানুষ আর্সেনিক সম্পন্ন পানি পান করছেন। কিছু কিছু নলকূপে এই ধাতুর পরিমাণ সহনীয় মাত্রার চেয়ে দশগুণ বেশি হয়ে গেছে, যা আকারে ক্ষতিকারক হয়ে উঠেছে।

তিন বছর পূর্বে করা জরিপে উপজেলার গভীর ও অগভীর নলকূপে আর্সেনিকের উপস্থিতি দেখা গেছে। এখন পর্যন্ত সে অনুযায়ী প্রায় ২৮ হাজার ৪২৬টি গভীর নলকূপের মধ্যে ১৩ হাজার ৯৭১টি ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত পরিমাণ আর্সেনিক পাওয়া গেছে। বর্তমানে কোনো নিরাপদ পানির উপায় না থাকায় বাসিন্দারা তীব্র সংকট সামলাতে বাধ্য হচ্ছেন।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর বর্তমানে ফকিরহাটে নিরাপদ পানির সুবিধা চালু করা হয়নি। দুই বছর ধরে নূতন গভীর নলকূপ স্থাপনের কাজ অবুন্দন করা হয়েছে। একাধিক সময়ে রিভার্স অসমোসিস (আরও) প্ল্যান্ট অবস্থান করছে হাতে গোনা কয়েকটি কেবল। এ ছাড়াও বিষয়টি আরও গুরুতর হয়ে উঠছে।

বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা প্রতি লিটারে ১০ মাইক্রোগ্রাম আর্সেনিক সহনশীল মাত্রা নির্ধারণ করেছে। বাংলাদেশ সরকারের মান প্রতি লিটারে ৫০ মাইক্রোগ্রাম। ফকিরহাটে পরীক্ষার ফল প্রতি লিটারে ৫০০ মাইক্রোগ্রাম আর্সেনিক পাওয়া গেছে যা সহনশীল মাত্রার দশগুণ বেশি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা তানভীর হাসান অনিক জানান, প্রতিদিন আর্সেনিকযুক্ত পানিবাহিত রোগে আসা রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু কোনো সংকটের স্বাক্ষরিত হিসাব পরিচালনা করা হচ্ছে না।

ফকিরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রোকনুজ জামান বলেন, নিরাপদ পানির সংকট এখন সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা বা আধুনিক পানি পরিশোধন ব্যবস্থা অনুমোদন করা হবে।

বাগেরহাট জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী জয়ন্ত মল্লিক বলেন, আর্সেনিকের পরিমাণ অতিরিক্ত হওয়ায় কোনো প্রকল্প

Leave a Comment