বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান মিয়া কারাগারে পাঠানো হয়েছে
বহ ষ ক ত শ ব র – ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগে মামলায় জিসান মিয়া প্রধানকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আদালত দুই দিনের রিমান্ড প্রক্রিয়া সমাপ্ত হওয়ার পর তাঁকে আদেশ জারি করেন। এই আদেশ কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩-এর বিচারক তৈয়ব উদ্দিন আহমেদ দেন।
পরিস্থিতির পটভূমি
আসামিপক্ষের আইনজীবী মনির হোসাইন পাটোয়ারী বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান যে জিসান মিয়া প্রধান নিখোঁজ হয়েছিলেন ১১ জুন। একই দিন রাতে তাঁকে লাকসাম জংশন এলাকা থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরদিন দাউদকান্দি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয় এবং জিসানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ জানানো হয়। পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার দেখায় এবং ১৬ জুন তাঁকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আদালতে হাজির করে।
তদন্তের পরিচয়
জিজ্ঞাসাবাদের সময় জিসানের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে সেসব তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব নয়।
কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামসুল আলম শাহ আদালতে রিমান্ডের আবেদন করেন। তিনি গত রোববার (২১ জুন) জিসানকে সাত দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আবেদন জানান। বিচারক দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদালতের আদেশ অনুসারে
রিমান্ড শেষে আজ বিকেলে জিসানকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত তাঁর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং সন্তোষ প্রকাশ করেন। এরপর তাঁকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।
