Bangladesh

বরিশাল: ভরা মৌসুমেও ইলিশ নেই, জালে বড় বড় পাঙাশ

Foto : Joseph Lopez - banglajibon.com
Table of Contents
  1. ভরা মৌসুমেও ইলিশের অভাব, পাঙাশে বাজারের চাহিদা মেটানো হচ্ছে
  2. Related SEO Topics
  3. Frequently Asked Questions

ভরা মৌসুমেও ইলিশের অভাব, পাঙাশে বাজারের চাহিদা মেটানো হচ্ছে Banglajibon.com – বর শ ল – শ্রাবণ মাসের শুরু। আষাঢ় বিদায় নিয়ে বৃষ্টি চলছে কয়েক দিন ধরে।

ভরা মৌসুমেও ইলিশের অভাব, পাঙাশে বাজারের চাহিদা মেটানো হচ্ছে

Banglajibon.com – বর শ ল – শ্রাবণ মাসের শুরু। আষাঢ় বিদায় নিয়ে বৃষ্টি চলছে কয়েক দিন ধরে। এই সময়ে সাধারণত ইলিশের ভরা মৌসুম হওয়ার কথা। কিন্তু এবার জেলেরা কাঙ্ক্ষিত ইলিশ পাচ্ছেন না। যা পাওয়া যাচ্ছে তার দামও সাধারণ ক্রেতার সাধ্যের বাইরে। তবে এই সংকটের মধ্যে একটি স্বস্তির খবর পাওয়া গেছে। মেঘনা, কালাবদর, আত্রাই খাঁ ও কীর্তনখোলা নদীতে বড় আকারের পাঙাশ ধরা পড়ছে।

পাঙাশ দিয়ে চাহিদা মেটানোর চেষ্টা

ইলিশের সরবরাহ কম থাকায় ব্যবসায়ী ও মৎস্যজীবীরা এই পাঙাশ দিয়েই বাজারের চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করছেন। গত সোমবার ও মঙ্গলবার নগরের পোর্ট রোড মোকামে গিয়ে ইলিশের সরবরাহ খুবই কম দেখা গেছে। যাও আছে তার দাম চড়া। বিভিন্ন জায়গা থেকে ৫ কেজি থেকে শুরু করে ১০ কেজি পর্যন্ত পাঙাশ উঠতে দেখা গেছে।

বিক্রেতা রজব আলী জানান, ৫ কেজির একটি পাঙাশের দাম কেজিপ্রতি ৭৫০ টাকা। পাশের ৭ কেজির একটি পাঙাশ চাইলেন ৯০০ টাকা কেজি। বিক্রেতারা জানালেন, বর্ষা আর পানি ওঠার পাঙাশ ধরা পড়া শুরু করেছে। সাধারণ মানুষ ইলিশ না পেয়ে খুশিমনে পাঙাশ নিচ্ছেন। আবার দুই-তিনজন মিলে ভাগে একটি বড় পাঙাশ কিনে নিচ্ছেন।

তিনজনে একটি ৭ কেজি ওজনের পাঙাশ কিনেছি। কেজি নিচ্ছে ৮০০ টাকা। দাম চড়া হলেও স্থানীয় নদীর পাঙাশ তাই কিনলেন।

এমন একজন ক্রেতা মশিউর দিপু জানান, তাঁরা তিনজনে একটি ৭ কেজি ওজনের পাঙাশ কিনেছেন। কেজি নিচ্ছে ৮০০ টাকা। দাম চড়া হলেও স্থানীয় নদীর পাঙাশ তাই কিনলেন।

ইলিশের দাম ও সরবরাহ পরিস্থিতি

নগরের পোর্ট রোডের আড়তদার নাসির উদ্দিন বলেন, এই বর্ষাতেও মোকামে ইলিশ খুবই কম। তবে বড় পাঙাশ ওঠা শুরু করেছে। প্রতিটি ৬ থেকে ৭ কেজি হতে পারে। পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ৯০০ টাকা। দুই দিন ধরে পাঙাশ উঠছে।

ইলিশ সরবরাহের বিষয়ে মৎস্য ব্যবসায়ী নাসির বলেন, মঙ্গলবার বরিশাল পোর্ট রোড মোকামে ৫০ মণের মতো ইলিশ উঠেছে। ১ কেজি সাইজের ইলিশ ২৮০০ টাকা বিক্রি হয়েছে। একইভাবে এলসি (৮০০-৯০০ গ্রাম) সাইজের ইলিশ কেজিপ্রতি ২৪০০ টাকা এবং হাফ কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হয়েছে ২০০০ টাকা কেজিতে।

জেলেদের হতাশা ও সরকারি পদক্ষেপ

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইলিশের সংকট নিয়ে চিন্তিত মৎস্য অধিদপ্তরও। যে কারণে এটি খতিয়ে দেখতে বিভিন্ন স্পটে গবেষণা চালাচ্ছে। জেলেরা বেশ হতাশ ইলিশের দেখা না মেলায়।

বর্ষা শুরু হয়েছে, নদীতে পানিও আছে। কিন্তু ভরা মৌসুমেও ইলিশ তেমন একটা পাচ্ছেন না। গত এক সপ্তাহে অল্প কিছু ইলিশ পেয়েছেন। এভাবে চললে দাদনের চাপে পিষ্ট হতে হবে।

মেহেন্দীগঞ্জের মেঘনা ঘেরা উলানিয়ার জেলে তোফায়েল হোসেন বলেন, বর্ষা শুরু হয়েছে, নদীতে পানিও আছে। কিন্তু ভরা মৌসুমেও ইলিশ তেমন একটা পাচ্ছেন না। গত এক সপ্তাহে অল্প কিছু ইলিশ পেয়েছেন। এভাবে চললে দাদনের চাপে পিষ্ট হতে হবে।

কালাবদর নদীতে মাছ ধরেন সদর উপজেলার চন্দ্রমোহনের টুমচরের জেলে রিয়াজ হোসেন। তিনি বলেন, কয়েক দিনে দুটি বড় পাঙাশ পেয়েছেন। ইলিশ পেয়েছেন অল্প কিছু। তাঁর মতে, পাঙাশ আরও কিছু পেলে ইলিশের সংকট এই মাছ দিয়ে মেটানো যাবে। কারণ, নদীর এই পাঙাশের চাহিদাও বেশি।

হিজলা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম বলেন, তাঁর আওতাধীন হিজলার মেঘনায় দুই বছর ধরে পাঙাশের পোনা ধরার চাঁই ও সুতার তৈরি নাইলন বড়শি নদী থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। তা ছাড়া নজরদারি রাখার নদীতে পাঙাশের আধিক্য লক্ষ করা যাচ্ছে। তিনি বলেন, সাধারণত শীতকালে কিছু পাঙাশ পাওয়া গেলেও এবার বর্ষাতেও পাঙাশ ধরা পড়ছে জেলেরা জালে।

জেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ড. হাদিউজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ইলিশ নদীতেও পাওয়া না, মানুষ কিনেও খেতে পারছে না। কেন ভরা মৌসুমেও ইলিশ কম তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি বলেন, এখন বৃষ্টির কারণে কিছু পাঙাশ ধরা পড়ছে। তবে বেশি পাঙাশ ধরা পড়ে নভেম্বরে; শীতের শুরুতে।

Frequently Asked Questions

Apa itu বর শ ল?

বর শ ল adalah topik utama yang dibahas di artikel ini dengan konteks praktis agar pembaca memahami informasinya dengan jelas.

Mengapa বর শ ল penting?

বর শ ল penting karena membantu pembaca membandingkan pilihan, menghindari kesalahan umum, dan mengambil keputusan yang lebih tepat.

Bagaimana cara memakai panduan বর শ ল ini?

Gunakan poin utama, contoh, dan tautan terkait di halaman ini sebagai rujukan awal, lalu cek detail terbaru sebelum mengambil keputusan final.

Leave a Comment