বগুড়ায় বাঙ্গালী নদী থেকে স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার
বগ ড় য় ব ঙ গ ল – বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলার বাঙ্গালী নদীতে একটি গুরুতর ঘটনা ঘটেছে। গত শুক্রবার বিকেলে স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র তীর্থ সাহা (১৭) তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নদীতে গোসলে নেমে একটি অস্থায়ী বাড়ি থেকে বাইরে বেরিয়ে তলিয়ে যায়। শনিবার (৬ জুন) সকালে আড়িয়াঘাট ব্রিজের নিচ থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তার লাশ উদ্ধার করে। সোনাতলা থানার এসআই মোবারক হোসেন ঘটনার প্রতিবেদন দিয়েছেন।
মরদেহ উদ্ধারের প্রক্রিয়া ও পুলিশের প্রতিক্রিয়া
তীর্থ সাহার লাশ আড়িয়াঘাট ব্রিজের নিচে পাওয়া গেলে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহের সুরতহাল নথিভুক্ত করে। পরে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর লাশটি তার পরিবারের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে। এসআই মোবারক হোসেন জানান, ডুবুরি দলের কাজ প্রায় ৪৮ ঘণ্টা ব্যাপী চলে। প্রতিদিন আবারও উদ্ধার কাজ চালানো হয় কিন্তু শনিবার সকাল ৮টার দিকে তার লাশ পাওয়া যায়। তীর্থের পরিবার তার মৃত্যুর পেছনে কারণ খুঁজছেন।
বাঙ্গালী নদী এবং ঘটনার স্থানের পরিচয়
বাঙ্গালী নদী বগুড়া জেলার মুখ্য বাণিজ্যিক পরিবহন পথ হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ। আড়িয়াঘাট ব্রিজটি নদীর উপর অবস্থিত যা বিশেষ করে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে। সোনাতলা উপজেলার মানুষদের অনুমান হচ্ছে ছাত্রটি প্রথমে নদীর বাড়িতে স্কুলে ফেরার পর ঘটনা ঘটেছে। তবে তার গোসল কাজের বিস্তারিত তথ্য এখনও পর্যন্ত প্রকাশ পেয়েছে না।
তীর্থ সাহার পিতা দীপক সাহা ঘটনার পর চিন্তিত হয়েছেন। তিনি জানান যে তার ছেলে অত্যন্ত কামনায় নদী পার যাওয়ার জন্য সকালে চলে গিয়েছিল। পরে নদী কোটালার জল তার কাছে সুরক্ষিত ছিল বলে বলা হচ্ছে। তার মাতার বক্তব্য অনুসারে, ছাত্রটি দীর্ঘ সময় ধরে নদী পারে পরিবহন করে আসতেন কিন্তু এ মুক্তিবাহিনী ঘটনার মূল কারণ খুঁজছেন।
ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল গত শুক্রবার শুরু করে উদ্ধার অভিযান। তাদের কাজের মূল লক্ষ্য ছাত্রটি কোথায় তলিয়ে গেছেন তা খুঁজে বার করা। উপজেলা প্রশাসন এবং রাজশাহী থেকে আসা ডুবুরি দল একটি যৌথ অভিযান চালিয়েছে। এসআই মোবারক হোসেন ঘটনার প্রতিবেদন দিয়েছেন যে ডুবুরি দল বাঙ্গালী নদীতে পানির গভীরতা এবং বাঁধ বিস্তার বিষয়ে অবহিত হয়েছে। তার লাশ পাওয়ার পর তিনি অত্যন্ত সন্তুষ্ট হয়েছেন।
