Bangladesh

পশুর হাটের পাশাপাশি এখন ব্যস্ত কামারপাড়া

ঈদুল আজহা উপলক্ষে কামারপাড়ায় জমাট বাঁধা হয়েছে

পশ র হ ট র প শ – পবিত্র ঈদুল আজহা আগামী বৃহস্পতিবার শুরু হবে। সেই উপলক্ষে কামারপাড়ার বাজার সাধারণ পশু বিক্রি কেনার পাশাপাশি হাত থাকছে জমাট বাঁধা। হাপরের বাতাসে জ্বলে ওঠা কয়লার আগুন দেখতে পাওয়া যাচ্ছে হাতুড়ির সজোর আঘাত সম্পর্কে নতুন করে সংগ্রহ করা হচ্ছে। কামারপাড়ার বিভিন্ন দোকানে চলছে ছুরি ও চাপাতি তৈরির কাজ। কয়েক জায়গায় কামারদের নিজস্ব কারিগরদের মাধ্যমে সেগুলো তৈরি করা হচ্ছে।

ঢাকার কারওয়ান বাজারের কামারপট্টি, খিলগাঁও, নিউমার্কেট ও ভাটারা এলাকাগুলোতে দেখা যায় স্থায়ী দোকানের পাশাপাশি অস্থায়ী দোকানগুলোও বসেছে। বিভিন্ন কোম্পানির ছুরি, চাপাতি এবং অন্যান্য সরঞ্জাম এখানে পাওয়া যায়। এদের মধ্যে সাধারণ স্তরের কয়েকটি দা-বঁটি ও কুড়াল আছে।

পরিবারগুলো স্থায়ী সরঞ্জাম প্রস্তুত করছে

আব্দুর রহমান নামে একজন দুচার ছেলে দেখায় বলেন, ‘গত বছরের তুলনায় এবার আগে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কারণ পশু জবাই করার সময় কষ্ট না হতে চাওয়া হয়। তাই আমি একটি চাপাতি ও ছেলা ছুরি চারটা কিনেছি। সব কটির মূল্য মোট ২ হাজার ৫০০ টাকা।’

বেসরকারি চাকরিজীবী সোলাইমান চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিক্রির জন্য আগে থেকে প্রস্তুতি নিচ্ছি। কারণ এই সময় পরে ভিড় হয়।’

মূল্য সম্পর্কে নির্দেশনা

যে সরঞ্জামগুলো প্রতিদিন বিক্রি হচ্ছে, তাদের মূল্য বিভিন্ন ধরনে ভিন্ন। দা-বঁটি প্রতি কেজি ৪০০ থেকে ১০০০ টাকা, ছুরি পিস ১০০ থেকে ৫০০ টাকা, জবাই ছুরি কেজি ৫০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত। অন্যদিকে শাণ দেওয়ার জন্য কুড়াল ও চামড়া ছাড়ানোর ছুরি মূল্য ৪০০ থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত।

বিক্রি বৃদ্ধির দিকে নজর রাখা হচ্ছে কামারপাড়ার বাজারে। কামারপাড়ার মালিক সমিতির সভাপতি মো. হারুন বলেন, ‘বেচাবিক্রি গতবারের তুলনায় অনেক কমে গেছে।’

অন্যদিকে মো. নাজমুল হাসান মাহমুদ বলেন, ‘এই সময় প্রতি পরিবার পুরোনো দা-ছুরি ব্যবহার করে। কয়েক পরিবার একত্রে একই সরঞ্জাম ব্যবহার করে। সেই হিসাবে দা-বঁটি ছুরি ও চাপাতি পর্যন্ত দুই থেকে তিন কোটি টাকার বেচাবিক্রি ঘুরতে পারে।’

Leave a Comment