নেত্রকোনায় বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষে মা ও দুই মেয়ে মৃত্যুবরণ করেন
ঘটনার প্রতিক্রিয়া এবং অবস্থার বর্ণনা
ন ত রক ন য় ব স – নেত্রকোনায় বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষে মা ও দুই মেয়ে মৃত্যুবরণ করেন। ঘটনা ঘটে রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের চল্লিশা এলাকায়। এতে আয়নুল হকের স্ত্রী নূর জাহান (৪৫), তাঁর দুই মেয়ে স্মৃতি আক্তার (১৫) এবং সুমাইয়া (৮) মৃত হন। বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষে আয়নুল হক গুরুতর আহত হন। সদর উপজেলার আমলী কেশবপুর গ্রামে তারা যাত্রা করছিলেন কেনাকাটার পর আসা রাস্তায়। ময়মনসিংহ থেকে আসা বাস তাদের রিকশাটি চাপা দেয় এবং এতে আঘাতপ্রাপ্ত হন। আহতদের প্রথমে সদর হাসপাতালে প্রবেশ করানো হয়, তবে আয়নুল হক ও রেহান মিয়ার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
নেত্রকোনায় বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষে মা ও দুই মেয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে স্থানীয় মানুষ উত্তেজিত হন। তারা রাস্তা অবরোধ করে এবং পরিস্থিতি আটকে রাখার চেষ্টা করেন। ঘটনার স্থানে উপস্থিত হন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল বাকিউল বারি। তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে গোল চত্বর নির্মাণের আশ্বাস দেন। এরপর অবরোধ তুলে নেয় লোকজন এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়। বিপরীতমুখী যাত্রীবাহী বাসের চালক সহ অটোরিকশার চালক তিন আহত হন। তাদের চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
নেত্রকোনার জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) হাফিজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত হওয়া অটোরিকশার চালক ও বাসের চালক পর্যন্ত তদন্ন করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ন চলছে এবং সংঘর্ষের সত্যতা পরিষ্কার করতে চলছে।
মৃতদের পরিচয় এবং বাস্তবতা
নেত্রকোনায় বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষে মৃত হওয়া আয়নুল হকের স্ত্রী নূর জাহান একজন পরিবারের প্রধান কন্যা। তিনি স্থানীয় পরিচিত হিসেবে সামাজিক কাজে সক্রিয় ভূমিকা রাখতেন
