দেবিদ্বারে গ্রেপ্তার হয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা
দ ব দ ব র ১১ ম – দেবিদ্বারে গ্রেপ্তার হয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা মো. আনিসুর রহমান সরকার কিনা আনিস মেম্বার। দেবিদ্বারে মামলা বিস্তার করার সময় রুবেল এবং সাব্বির হত্যা এবং আরও ১১টি মামলার আসামি হিসেবে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে আনিস মেম্বার কুমিল্লা কোর্টে হাজতে পাঠানো হয়। দেবিদ্বারে এই ঘটনার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, কারণ মামলার সংখ্যা দেবিদ্বার এলাকার সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির একটি সূচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
আনিস মেম্বারের সামাজিক ও রাজনৈতিক ভূমিকা
দেবিদ্বার থানার ওসি মনিরুজ্জামান এ তথ্য যথার্থতা দেন। আনিস মেম্বার রসুলপুর গ্রামে আজিজ মেম্বারের ছেলে এবং নিহত নজরুল ইসলাম সরকারের পুত্র। তিনি রসুলপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এবং ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি হিসেবে পরিচিত। গত কয়েক মাসে দেবিদ্বার এলাকায় বৈষম্য প্রতিরোধের আন্দোলন শুরু হওয়ার পর তিনি সামাজিক গোলযোগের মধ্যে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন। পুলিশ তাঁকে বৈষম্য প্রতিরোধ ও আন্দোলনের বিরুদ্ধে হামলার জন্য দেবিদ্বারে আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করেছে।
দেবিদ্বার এলাকার মানুষ আনিস মেম্বারকে স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি গত সোমবার মো. মামুন নামে এক ভ্যানচালককে মারধরের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। দেবিদ্বারে গ্রেপ্তার ঘটনার পর তিনি নিজেকে বিএনপি এবং পরবর্তীতে এনসিপির কর্মী হিসেবেও দাবি করেছেন। কুমিল্লা কোর্টে তাঁকে হাজতে পাঠানো হয়, যেখানে দেবিদ্বারে গ্রেপ্তার ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
মামলা তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক ভবতোষ কান্তি দে বলেন, আনিস মেম্বার দেবিদ্বারে চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও নেশাগ্রস্ত এবং আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী বাহিনীর লোক। দেবিদ্বার এলাকার লোকেরা আনিস মেম্বার ও তাঁর লোকজনদের বিরুদ্ধে কোনো কিছু বলার সাহস পায় না।
দেবিদ্বারে গ্রেপ্তার ঘটনার পর তাঁর পরিবার এবং সাথীদের তাড়াতাড়ি বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। কুমিল্লা কোর্টে তাঁকে হাজতে পাঠানোর ঘটনার সময় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, কারণ দেবিদ্বার এলাকার প্রতিটি ঘটনা কেন্দ্রীয় ক্ষমতার প্রতি বিশেষ সমালোচনার সূত্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তদন্ত কর্মকর্তারা দেবিদ্বার এলাকার সামাজিক গোলযোগ ও আন্দোলনের সাথে সংযুক্ত হিসেবে আনিস মেম্বারকে দায়ী করেছেন।
দেবিদ্বার এলাকায় রুবেল ও সাব্বির হত্যার ঘটনা আনিস মেম্বার ও তাঁর বিশেষ বাহিনীর বিরুদ্ধে একটি সংঘটিত ঘটনা হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। দেবিদ্বার এলাকার স্থানীয় সম্প্রদায় এই মামলার প্রতি নিষ্কাম রূপে সমর্থন প্রকাশ করেছে। আনিস মেম্বার কুমিল্লা কোর্টে হাজতে পাঠানোর পর তাঁকে দেবিদ্বার এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে অভিহিত করা হয়।
দেবিদ্বার এলাকার অবস্থা এখন দেবিদ্বার থানার কর্মকর্তাদের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সরকার পতনের পর তিনি নিজেকে বিএনপি এবং পরবর্তীতে এনসিপির কর্মী হিসেবেও দাবি করেছেন। তাঁর গ্র
