Bangladesh

জামায়াতের দুই কর্মীর মধ্যে মারামারি, অফিস ভাঙচুর

জামায়াতের দুই কর্মীর মধ্যে মারামারি, অফিস ভাঙচুর

জ ম য ত র দ ই – জামায়াতের দুই কর্মীর মধ্যে সংঘর্ষের ফলে কয়রা উপজেলার আমাদী ইউনিয়ন জামায়াত কার্যালয়ে ভাঙচুর ঘটেছে। ঘটনা শনিবার (৩০ মে) বেলা ১১টা কাছাকাছি আমাদী বাজারে ঘটে। পানির ট্যাংক বিতরণের বিষয়ে বিবাদে সংঘর্ষ বিস্ফোট হয়েছে এবং তাতে জামায়াতের দুই কর্মীর মধ্যে গুরুতর আহত হয়েছেন মিজান শেখ (৬৫)। তাঁকে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিত্সা দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবেদন দেখানো হয়েছে জামায়াতের দুই কর্মীর মধ্যে বিবাদ ও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পরিস্থিতি পরিবর্তনের প্রতিক্রিয়া হিসেবে।

ট্যাংক বিতরণ বিষয়ে বিবাদ তৈরি হয়েছিল

আমাদী ইউনিয়নের জামায়াত কার্যালয়ে পানির ট্যাংক বিতরণ নিয়ে আলোচনার সময় জামায়াতের দুই কর্মীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। রবিউল ইসলাম কার্যালয় থেকে আটটি পানির ট্যাংক বরাদ্দ করেছেন বলে জানা গেছে। তবে ট্যাংক বিতরণ প্রক্রিয়া ও সুবিধাভোগীদের তালিকা নির্ধারণের বিষয়ে বিবাদ তৈরি হয়েছিল। জামায়াতের দুই কর্মীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়ে যাওয়ার পর কার্যালয় ভাঙচুরে জড়িত হয়েছে। এতে কয়েকটি ফাইল ও প্রক্রিয়া বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

“জামায়াতের দুই কর্মীর মধ্যে বিবাদ বিস্ফোট হয়েছে যখন পানির ট্যাংক বিতরণ প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা চলছিল। সংঘর্ষে কার্যালয় ভাঙচুর ঘটে এবং স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার পর কার্যত কার্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছে।” – কয়রা উপজেলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে বলে জানান এমপি মাধ্যমে নেতারা।

স্থানীয় কর্মীদের বিবরণ

আমাদী ইউনিয়ন কর্মপরিষদের সদস্য মো. নুরুজ্জামান জানান, জামায়াতের দুই কর্মীর মধ্যে বিবাদ হয়েছিল সংঘর্ষে জড়িত হয়ে। এতে কয়েকটি কার্যালয়িক সরঞ্জাম ভেঙে গেছে। তিনি আরও বলেন যে সংঘর্ষে রবিউল ইসলাম তাঁর সমর্থকদের সাথে আমাদী ইউনিয়নের জামায়াত কর্মী মিজান শেখের ওপর হামলা চালায়। ঘটনার পর স্থানীয় মানুষের মধ্যে তার কার্যক্রম ব্যাহত হয়ে গেছে।

পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে

কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহ আলম জানান, জামায়াতের দুই কর্মীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার পর কার্যালয় ভাঙচুরের কারণ খুঁজতে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন যে কয়েকটি ট্যাংক ও ফাইল বিতরণের বিষয়ে বিবাদ ছিল। এতে জামায়াতের দুই কর্মীর মধ্যে

Leave a Comment