Bangladesh

জঙ্গল সলিমপুর: বুলডোজার দিয়ে র‍্যাব ক্যাম্পের দেয়াল গুঁড়িয়ে দিল সন্ত্রাসীরা, এক্সকাভেটর দিয়ে খুঁড়ল রাস্তা

জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের হামলার পর রাস্তা খুঁড়ল অপরাধীরা

জঙ গল সল মপ র – চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে আলীনগর এলাকায় স্থাপিত যৌথ ক্যাম্পে গতকাল রোববার দিবাগত রাত ১টার পর সন্ত্রাসীদের গুলিবর্ষণ শুরু হয়। বুলডোজার দিয়ে ক্যাম্পের দেয়াল গুঁড়িয়ে ভেতরে ঢুকার চেষ্টা করে সন্ত্রাসীরা, যারা প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ সশস্ত্র হলেন বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়। পুলিশ ও রাব পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলে।

হামলার সময় বেশ কিছু অস্থায়ী স্থাপনা ভাঙচুর করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, সন্ত্রাসীদের নিয়ন্ত্রণের জন্য বিপুল পরিমাণ বাহিনী এলাকায় মোতায়েন করা হয়। ভোর ৪টা পর্যন্ত গুলিবিনিময় চলে। এক্সকাভেটর দিয়ে পথ ভেদ করে সন্ত্রাসীরা ক্যাম্পের পেছনের অংশ পৌঁছায়।

র‍্যাব-৭ অধিনায়কের কথা

“ইয়াসিন গ্রুপ” সন্ত্রাসী রাতের অন্ধকারে যৌথ ক্যাম্পে অতর্কিত হামলা চালায়। আত্মরক্ষার জন্য নন-লিথাল অস্ত্রের সাথে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়।” – রাব-৭ চট্টগ্রামের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান বলেন।

যৌথ বাহিনী সদস্যরা চিরুনি অভিযান চালায়। এতে সন্দেহভাজন বেশ কয়েকজন বাসিন্দা আটক করা হয়। অপরাধীদের ঘূর্ণিঝড় পরিস্থিতি এখনও কার্যকর করে।

জঙ্গল সলিমপুর এলাকাটি দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে বিভিন্ন সন্ত্রাসী ও অপরাধী গোষ্ঠীর কাছে নিরাপদ আস্তানা হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। আগেও এই এলাকায় অভিযান চালাতে গিয়ে একাধিকবার হামলার শিকার হয়েছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

গত বছরের ১৯ জানুয়ারি সন্ত্রাসীদের হামলায় মৃত্যুবরণ করেন রাব-৭-এর উপসহকারী পরিচালক মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া। এর পর গত ৯ মার্চ বাহিনী প্রায় ৩ হাজার ২০০ সদস্যের অংশগ্রহণে বড় ধরনের যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের ফলে প্রশাসন পুরো এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেয়।

সেখানে ছিন্নমূল ও আলীনগর এলাকায় দুটি স্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করা হয়। অপরাধীদের পুনর্বাসন অব্যাহত রাখার জন্য ক্যাম্প স্থাপন করা হয়। বাহিনীর শীর্ষ নেতা মো. ইয়াসিন, রোকন উদ্দিন, মশিউর রহমান ও নুরুল হক ভান্ডারি হয়। বাহিনীর ধারণা অনুযায়ী, ক্যাম্পে নিয়োজিত সদস্যদের মনোবল ভেঙে দেয়া ও এলাকার নিয়ন্ত্রণ পুনর্দখল করা হয়েছিল এই হামলার পরিকল্পনা।

Leave a Comment