গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা করা হয় ছাগল মারার প্রতিবাদের কারণে
ঢাকার আশুলিয়ায় ঘটনা ঘটেছে শুক্রবার
ছ গল ম র র প রত – ছাগল মারার প্রতিবাদ করায় গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনার সমাচার পাওয়া গেছে শুক্রবার (৫ জুন) ঢাকার আশুলিয়া থানায়। এখানে রূপবান বেগম (৪৫) নামে এক মহিলার মৃত্যু ঘটে। তিনি ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকালে মারা যান। এই ঘটনার প্রতিবাদ নিয়ে প্রতিবেশী বাড়ির সদস্যদের মধ্যে বিতর্ক জাগিয়েছিল।
মামলার প্রধান আসামি নির্ধারণ হয়েছে
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম জানান, ছাগল মারার প্রতিবাদ করায় সাভারের তাজপুর এলাকার জয়নাল সরকারের স্ত্রী রূপবান বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি হল তাঁর মাতার ছেলে আলিয়া সরকার। ঘটনার স্থান ছিল তাজপুর এলাকার ভাইতান কমপ্লেক্সে। বিষয়টি সম্পর্কে আলিয়া সরকারের মুখে ছাগল মারার প্রতিবাদ করার ঘটনার বিস্তার করা হয়েছে। তিনি ব্যক্তিগত তর্কের পর হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেন।
পুলিশ জানায়, ছাগলটি রূপবান বেগমের প্রতিবেশী বাড়ির উঠানে ঘাস খাচ্ছিল। এ ব্যাপারে তর্ক শুরু হয়, আলিয়া সরকার তাঁর হাতে ধারালো দা দিয়ে রূপবান বেগমের পায়ে কোপ দেন। সে তখন প্রায় নিঃশব্দ ভাবে রক্তাক্ত হন। এ ঘটনার পর পর তাঁর মৃত্যু ঘটে। ছাগল মারার প্রতিবাদ করার সময় নিহত মহিলার নিকট থেকে কোপ পাওয়ার পর তাঁর স্বামী হত্যা মামলা করেন।
বিস্তারিত পরিস্থিতি ও তদন্ত
পুলিশের তদন্ত অনুযায়ী, ছাগল মারার প্রতিবাদ করার ঘটনার প্রাথমিক কারণ ছিল ভূমি বিতর্ক। ছাগলটি রূপবান বেগমের বাড়িতে ঘাস খাওয়ার জন্য তাঁর স্বামী ও আলিয়া সরকারের মধ্যে একটি আঘাতপ্রাপ্ত অবস্থার পর তিনি ঘটনার পরিণতি গ্রহণ করেন। ছাগল মারার প্রতিবাদের ফলে নিহত মহিলার বিপদ ঘটে। গৃহবধূর মৃত্যু ঘটার পর আসামি দের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
সাভারের আশুলিয়া থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, এই ছাগল মারার প্রতিবাদ ঘটনায় তিনি হত্যাচেষ্টার মামলা করেন। ছাগলটি তাঁদের বাড়ির উঠানে ঘাস খাচ্ছিল বলে বিবেচনা করা হয়। তাঁদের পাশে থাকা রূপবান বেগম নিহত ছাগলটি ঘূরে বেড়াচ্ছিল বলে বলে
