গাজীপুরে ছুটি ঘোষণা ভোগান্তি কমাবে
গ জ প র ধ প ধ ঈদুল আজহা উপলক্ষে গাজীপুরের বিভিন্ন শিল্পকারখানা ছুটি দেওয়া হবে। এই ব্যবস্থা উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের যাত্রীদের সম্পূর্ণ দিনের পরিবহন সমস্যা কমানোর লক্ষ্য রেখে গৃহীত হয়েছে। গত ঈদুল ফিতরের পর থেকে গাজীপুর মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কিছুটা কমেছে বলে আশা করা হচ্ছে।
পুলিশের প্রস্তুতি ভোগান্তি কমার প্রতিশ্রুতি
গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দিন জানান, এবার ঈদযাত্রার জন্য বেশি পুলিশ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। কয়েক বছর ধরে দুই মহাসড়কে যানজট দেখা দিয়েছে, কিন্তু এবার গত ঈদের তুলনায় পরিকল্পনা করা হয়েছে বিশেষ করে গাজীপুরে যানবাহনের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের জন্য।
‘ঈদযাত্রা আগে সব শিল্পকারখানা অফিস একসঙ্গে ছুটি দেওয়ার কারণে যান চলাচলে ক্ষুব্ধতা দেখা দিয়েছিল। এবার দফায় দফায় ছুটি ঘোষণা করার ফলে মহাসড়কে চাপ কমানো হবে,’ বলেন গাজীপুর শিল্প-২ এর পুলিশ সুপার আমজাদ হোসাইন।
গাজীপুর জেলা উত্তরাঞ্চলের সাথে সংযোগ করে থাকে। এখানে দুই মহাসড়ক দিয়ে দেশের ২২টি জেলার মানুষ ঘরে ফিরতে চাইছে। টঙ্গী চেরাগ আলী এলাকায় রাস্তাগুলো সরু গলির মতো হয়েছে যেখানে একটি গাড়ি পার হতে হয়। এই স্থানে মহাসড়ক অবরোধে চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
শিল্পকারখানা ছুটি দেওয়া কেন গুরুত্বপূর্ণ
গাজীপুরে প্রায় আড়াই হাজার শিল্পকারখানা রয়েছে। এবার ছুটি ঘোষণা ধাপে ধাপে করা হবে, ফলে শ্রমিকদের ঘরে পৌঁছানোর সময় কমানো হবে। গত ঈদের চেয়ে এটি সাময়িক দুর্ঘটনা বেশি হবে না বলে আশা করা হচ্ছে।
গাজীপুরে যানজট নিরসনে আগে থেকেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কালিয়াকৈরের চন্দ্রা মোড়, মাওনা চৌরাস্তা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশ মোতায়েন করা হবে। বেতন-ভাতা দেওয়া হলে শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে যাত্রার প্রতি বিপদ আশঙ্কা কমানো হবে।
পুলিশের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গাজীপুরের মহাসড়ক প্রবাহ পরিচালনা করা হবে। এছাড়াও সড়ক পরিষ্কার করার জন্য বিশেষ করে সকাল ও দুপুরে ট্রাফিক পরিবহন ব্যবস্থা পরিচালিত হবে। মহাসড়কগুলোতে যাত্রীদের আরও সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী অবস্থান নেওয়া হয়েছে।
