Bangladesh

খরচাপাতি দিলে হালকাপাতলা করুম: আসামিকে দারোগা

খরচাপাতি দিলে হালকাপাতলা করুম: আসামিকে দারোগা

বিতর্ক তৈরি হয়েছে একটি অডিও রেকর্ড ফাঁস হওয়ার পর

খরচ প ত দ ল হ লক – গাজীপুরের শ্রীপুর থানার এক কর্মকর্তাকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এটি হালকাপাতলা করার জন্য খরচাপাতি দেওয়ার আহ্বান ছিল বলে প্রমাণ হয়েছে। খোঁজ নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে, গত ২৩ এপ্রিল শ্রীপুর উপজেলার বরমী ইউনিয়নের কাশিজুলী গ্রামে মো. হযরত আলী গাজীপুরের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মানহানি মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে আছেন শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. তাজুল ইসলাম। তিনি মামলায় মোট সাতজনকে আসামি করেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, মামলার ৩ নম্বর আসামি জাকির মোড়লের সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই তাজুল ইসলামের ফোনালাপের একটি অডিও সম্প্রতি প্রকাশিত হয়। অডিওতে শোনা যায়, আসামি জাকির মোড়লের সঙ্গে কথা বলতে বলা হয়েছে, “তাদের যোগাযোগ করতে বলো। খরচাপাতি দিলে হালকাপাতলা করুম।” এ সময় আঞ্চলিক ভাষায় বলতে শোনা যায়, যোগাযোগ না করলে কিন্তু (প্যাচকি) বাজাইয়া দেব।

“তুমিও যোগাযোগ করো। তুমিও কিছু করো।” এ বিষয়ে জাকির মোড়ল বলেন, “ভাই জালাল, বারেক ওঁদের কাছে তো আপনার নাম্বার আছেই। তাঁদের বলবো যোগাযোগ করতে।”

এ সময় অভিযুক্ত জাকির মোড়ল নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন, “ভাই আপনি তো তদন্ত করে দেখছেন, এখানে আমার কোনো দোষ নেই।” অভিযুক্ত এসআই মো. তাজুল ইসলাম দাবি করেন, অডিওটি প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হয়েছে। তিনি বলেন, “আমি আসামির সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করিনি।” তবে এক সাংবাদিককে টাকা দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “দুপুরে খাওয়ার জন্য কিছু টাকা দিতে চেয়েছিলাম।”

গাজীপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কালিয়াকৈর সার্কেল) মিরাজুল ইসলাম বলেন, “বিষয়টি আমরা শুনেছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তিনি নিশ্চিত করেন, আসামিদের মামলাটি কোর্টে গেলে শেষ হবে। এ ঘটনার পর আসামিকে সরাসরি কথা বলতে বলা হয়েছিল।

Leave a Comment