ডাঙ্গাপাড়া কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি রতন আলী পান বিক্রির জন্য সেবা বন্ধ করছেন
কম উন ট ক ল ন ক – রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার ডাঙ্গাপাড়া কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিদিন দীর্ঘ সময় বন্ধ রাখার ফলে রোগীদের কাছে সেবা পেতে হচ্ছে না। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ অনুযায়ী সিএইচসিপি রতন আলী সকালে ক্লিনিকে হাজিরা দিয়ে আড়তে যান পান বিক্রির জন্য। এ বিষয়ে আছের আলী বলেন, ‘এই লোকের ক্লিনিক বন্ধ রাখার স্বভাব এক দিনের নয়, প্রতিদিন একই কাজ করেন তিনি। চাকরির পাশাপাশি তাঁর একাধিক পানের বরজ রয়েছে। ক্লিনিকের সঙ্গে বাড়ি হওয়ায় তিনি কাউকে তোয়াক্কা করেন না। উপজেলার শেষ সীমানা ও প্রত্যন্ত গ্রাম হওয়ায় এখানে নজরদারি নেই।’
ডাঙ্গাপাড়া কমিউনিটি ক্লিনিকের পাশে পানের বরজে কাজ করছিলেন জামাল উদ্দিন। তিনি জানান, ক্লিনিকের সিএইচসিপি রতন আলী এখানে পান বিক্রি করার জন্য তো খেয়ালখুশিমতো আসেন। দুপুর ১২টা বাজলেই আর থাকেন না। এলাকাবাসীর সুবিধার্থে চাঁদা তুলে এ ক্লিনিক গড়ে তোলা হয়। কিন্তু উপজেলার শেষ সীমানায় হওয়ায় নজরদারি নেই প্রশাসনের।
‘ঈদের মৌসুমে আমি ব্যাংকে টাকা তুলতে যাচ্ছিলাম। সঙ্গে কিছু পানও নিয়ে যাচ্ছিলাম বিক্রির জন্য। সে জন্য ওপরের অনুমতি নিয়েছিলাম।’ রতন আলী বলেন।
রাজশাহী জেলার দুর্গাপুর উপজেলায় প্রায় ৩ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সাত ইউনিয়নে রয়েছে ১৯টি কমিউনিটি ক্লিনিক। কিন্তু সরকারি ছুটি ছাড়া সপ্তাহে ছয় দিন নির্দিষ্ট সময়ে খোলার কথা থাকলেও মানেন না কেউ। ফলে গ্রামীণ এ স্বাস্থ্যসেবা পেতে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে দরিদ্র মানুষকে। এতে কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে চিকিৎসা নেওয়ার আগ্রহও হারাচ্ছে এলাকাবাসী।
‘রতনের বিরুদ্ধে সময়মতো ক্লিনিকে না আসার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’ দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা মেহেদী হাসান সোহাগ বলেন।
‘কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ রেখে এ ধরনের কর্মকাণ্ড দুঃখজনক। অভিযোগ পেলে আমি স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’ রাজশাহী জেলার সিভি�
