আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যু: ভেন্টিলেশনহীন ‘দমবন্ধ’ পরিবেশ নিয়ে ক্ষোভ
আদ দ ব ন হ সপ ত – দুর্ঘটনার ঘটনাস্থল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ড নম্বর ২। সেখানে নবজাতকদের পরিবেশগত অবহেলা এবং ভেন্টিলেশন ব্যবস্থার অভাবের কারণে আক্রান্ত হওয়া ঘটেছে। হাসপাতালের চারপাশে বাতাস চলাচলের সীমা পেরিয়ে যাওয়া বলে অভিযোগ উঠেছে, যার ফলে নবজাতকদের শ্বাসকষ্ট দেখা গেছে এবং শেষ পর্যন্ত তারা মৃত্যুবরণ করেছে। হাসপাতালের পরিবেশ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। তিনি ইতিমধ্যে সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং এই অবহেলার কারণ খতিয়ে দেখার জন্য একটি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন।
বুধবার দুপুরে হাসপাতালটিতে পরিদর্শন করেন মহাপরিচালক অধ্যাপক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। তিনি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ করার পর হাসপাতালের পরিবেশ নিয়ে সমালোচনা করেন। তিনি জানান, মৃত্যুর ঘটনার অংশটি দমবন্ধ হওয়ার কারণে ঘটেছে। ভোরে কক্ষে এসি বিকল হয়ে গেলে বাতাস চলাচলের পথ আটকে যায়। এসিটি স্থাপন করা হয়েছে এমনভাবে যে বিকল হওয়ার পর সেখানে কোনো প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা সচল থাকে না।
“এই হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার মতো ন্যূনতম পরিবেশ নেই।” মিরপুর থেকে আসা রোগীর স্বজন মশিউর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষ তুলনামূলক কম খরচের আশায় এখানে আসে। কিন্তু পুরো হাসপাতালটাই যেন একটি বদ্ধ কারাগার হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাইরে থেকে আলো-বাতাস ঢোকার কোনো পথ নেই। এই দমবন্ধ পরিবেশের কারণেই আজ এতগুলো ফুটফুটে শিশু মারা গেল।
অভিযোগ উঠেছে যে হাসপাতালে প্রতিটি ফ্লোর অসংখ্য কক্ষে বিভক্ত হয়ে রয়েছে। পর্যাপ্ত জানালা বা ভেন্টিলেশন না থাকার কারণে সব সময় ভ্যাপসা গন্ধ ও দমবন্ধ পরিস্থিতি চলছে। তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অবহেলার পেছনে মূল দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আদ-দ্বীন হাসপাতালটি নিয়ে আরও একটি তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতি�
