রুটি কারখানা ও শিশুমৃত্যু আদ দ ব ন হ সপ তে সংশ্লিষ্ট হচ্ছে
হাসপাতালের ভবনে রুটি কারখানার অস্তিত্ব খতিয়ে দেখা হচ্ছে
আদ দ ব ন হ সপ ত – স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আদ-দ্বীন হাসপাতালের ভবনে রুটি কারখানার অস্তিত্ব খতিয়ে দেখছে। কোরবানির ঈদের আগের দিন হাসপাতালের পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে ছয় শিশুর অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনার তদন্তে কারখানার ভূমিকা অনুসন্ধানের কথা তুলে আসা হয়েছে। তদন্ত কমিটি কারখানার পরিবেশ এবং সম্ভাব্য নির্গমন বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে পরীক্ষা করছে। আদ দ ব ন হ সপ তে এই কারখানার অবস্থা সম্পর্কে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে যাতে শিশুদের মৃত্যু কারণ খতিয়ে দেখা সম্ভব হয়।
শিশুদের মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে
আজ শনিবার বিকেলে হাসপাতাল পরিদর্শন করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, কারখানাটি বৈদ্যুতিক ওভেনে পরিচালিত হয়। তবে কারখানার কোনো ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার পাওয়া যায়নি। আদ দ ব ন হ সপ তে কারখানার ব্যবস্থাপনার বিষয়ে অনুসন্ধান চালু করা হয়েছে যে কিছু প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শিশুদের মৃত্যু ঘটনার পরে হাসপাতালের পুরো অংশটি স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
“এত ছোট শিশুদের ময়নাতদন্তে তাদের বাবা-মা কেউই রাজি হননি। তারপরও আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের।”
মন্ত্রী আরও জানান, হাসপাতালের একটি অংশে দীর্ঘদিন ধরে পানি জমে থাকার বিষয়টিও তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। আদ দ ব ন হ সপ তে রুটি কারখানার সাথে যুক্ত হওয়া দুর্ঘটনার পরিস্থিতি কি ছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ক্ষতিকর গ্যাস বা পদার্থের সম্ভাবনা নিয়ে পরীক্ষা করা হচ্ছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পেতে আরও দুই থেকে তিন দিন সময় লাগবে বলে মন্ত্রী জানান।
হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরীক্ষা করা হচ্ছে
আদ দ ব ন হ সপ তে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়া সামনের দিনগুলোতে কারখানার সম্পূর্ণ অস্তিত্ব পরীক্ষা করা হচ্ছে। মন্ত্রী জানান, শিশুদের মৃত্যু ঘটনার পরে মৃত শিশুদের পরিবারের সদস্যদের এবং বিশেষ করে মায়েদের সঙ্গে কথা বলে পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তাই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় বাড়িয়ে আগামী ৩ জুন পর্যন্ত করা হয়েছে।
হাসপাতালে এই রুটি কারখানার সংগঠন বিষয়টিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গুরুত্ব দিয়ে বিশ্লেষণ করছে। এই কারখানার পরিচালনার জন্য নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া বিষয়টিও
