আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কলেজ ও মসজিদের রাস্তা কেটে গাছ রোপণ
আদ লত র ন ষ ধ জ – রংপুরের পীরগঞ্জে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চতরা বিজ্ঞান ও কারিগরি কলেজ এবং সংলগ্ন জামে মসজিদের চলাচলের রাস্তা কেটে জোরপূর্বক গাছ রোপণের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে আশরাফুল সরকার এবং তাঁর সহযোগীদের দলবল নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্তকে বাদ দিয়ে কলেজ জমি থেকে রাস্তা প্রস্তুত করা হয়। হামলাকারীরা কলেজের প্রাচীর, ফটক ও সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর করে ধ্বংস করে দেয়। ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে আসে এবং ক্ষেপিয়ে পড়া স্থানীয়দের নিয়ন্ত্রণে আনে।
জমি অধিকারের আরোপ ও আদালতের নিষেধাজ্ঞা
কলেজের জমি ও জামে মসজিদের সাধারণ যাতায়াতের রাস্তা দীর্ঘ দিন ধরে আশরাফুল সরকার নামের এক ব্যক্তির দাবির কারণে বিতর্কিত ছিল। ১৯৯৯ সালে কলেজটি বজলার রহমান সরকার থেকে কেনার পর ওই জমি ব্যবহার করা হয়েছিল। কিন্তু আদালতে মামলা চলার কারণে আশরাফুল সরকার নিষেধাজ্ঞা দিয়ে ওই জায়গায় কোনও কার্যকলাপ সম্পাদনে নিরোধ করেছিল। এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তাঁরা রাস্তা কেটে গাছ রোপণ করে।
হামলার ফলে কলেজ ও মসজিদে আতঙ্ক ছড়িয়েছে
আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আশরাফুল ও তাঁর অনুসারীদের হামলার পর কলেজে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। কলেজের সীমানা প্রাচীর ও ফটক ভাঙচুর করা হয়েছে এবং সিসিটিভি ক্যামেরা দ্বারা নিরাপত্তা প্রদানের চেষ্টা তারা ছিনতাই করে। এতে শিক্ষক ও কর্মচারীদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়া হয়। মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায় করতে পারছেন না সাধারণ মুসল্লিরা এবং কলেজের স্বাভাবিক কাজগুলো ব্যাহত হয়েছে।
আদালতের নিষেধাজ্ঞা কেমন প্রযোগ করা হয়েছিল?
কলেজ ও মসজিদের সংযোগ রাস্তার ওপর আদালত দ্বারা নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। এ নিষেধাজ্ঞা প্রতিষ্ঠানটির জমি ও সংলগ্ন মসজিদের চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য প্রযোজ্য ছিল। তবে আদালতের নিষেধাজ্ঞা বাদ দিয়ে হামলার পর কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রব বলেন, এটি আদালত অবমাননার মানচিত্র হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাহীনতার কারণে স্থানীয়দের মধ্যে গুঞ্জন ছড়িয়েছে।
পীরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চালু করা হয়েছে এবং আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার জন্য বিশেষ তদন্ত প্রস্তুত করা হচ্ছে। অভিযুক্ত আশরাফুল ইসলাম দাবি করেন যে তাঁর বাবা ১৯৬৭ সালে কবলা মূলে ওই জমির প্রকৃত মালিক ছিলেন। বাবার মৃত্যুর প
