আগুনের খবর দিলেও আসেনি ফায়ার সার্ভিস, স্থানীয়দের ক্ষোভ বৃদ্ধি
আগ ন র খবর দ ল ও – গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে চট্টগ্রামের আনোয়ারার উত্তর গুয়াপঞ্চক এলাকায় একটি ভবন আগুনে পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের খবর দিলেও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে আসেনি বলে বিস্মিত বাসিন্দারা নিজেদের প্রতি নিরাপদ বোধ করছেন না। ঘটনার সময় শর্টসার্কিটের কারণে ভবনটি আগুন আঁ খায়। বিদ্যুতের পনের মিটার ও একটি মোটরসাইকেল পুড়ে যাওয়ার কারণে নারী-পুরুষসহ শিশুরা প্রবেশপথে আটকে পড়ে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার আগে স্থানীয়দের নিজেদের ব্যবস্থা নিতে হয়।
অগ্নি নির্বাপণে ফায়ার সার্ভিসের অসামান্য দেরি
ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় আটকে পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধার করা হয়। তবে আগুনের খবর দিলেও ফায়ার সার্ভিস আসেনি বলে গৃহিত হয়। অনুমান হচ্ছে যে আগুন নিভিয়ে আসার জন্য সময় হারিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। আগুন ভবনের সিঁড়ির কক্ষে শুরু হয়ে স্থানীয়দের পরিচালনায় নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ফায়ার সার্ভিসের দেরি ছাড়াও আগুনের স্থানে অনুসন্ধান করার ব্যবস্থা ছিল না।
ভবনের ভাড়াটিয়া মোহাম্মদ ইসমাইল বলেন, ‘আগুনের খবর দিলেও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে আসেনি। আগুন নিভিয়ে আনতে বাসিন্দাদের নিজেদের কাজ করতে হয়। এখানে একটিমাত্র সিঁড়ি ছাড়া আর কোনো জরুরি বহির্গমনের ব্যবস্থাও রাখা হয়নি। আগুনে ভবনের ছাদে বাচ্চাদের নিয়ে আটকে পড়ার বিষয়ে আমরা একাধিকবার ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়। কিন্তু তারা আসেনি। এখানে আমরা নিরাপদ বোধ করছি না।’
বাড়ির মালিক মাহমুদ সওদাগর জানান, আগুন সংক্রান্ত খবর ফায়ার সার্ভিসকে জানানোর পরও তারা কোনো সহায়তা করেনি। তিনি বলেন, ‘আগুনের খবর দিলেও ফায়ার সার্ভিস আসেনি। ঘটনাস্থলে সেবা না পাওয়ার ফলে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।’ আনোয়ারার স্থানীয় বাসিন্দারা আসলে আগুনের খবর দিলেও ফায়ার সার্ভিস এলাকায় উপস্থিত হয়নি বলে অভিযোগ করছেন।
অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে আনোয়ারা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ইনচার্জ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন, ‘খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে যাওয়ার জন্য বেরিয়ে যাই। কিছুক্ষণ পর হাবিবুল্লাহ নামের এক ব্যক্তি ফোন করে জানান, আগুন নিভে গেছে। তারপর আমরা চাতরী এলাকা থেকে ফিরে আসি।’ তিনি এটিকে একটি সাধারণ অসামান্যতা বলেন।
আগুনের খবর দিলেও ফায়ার সার্ভিস আসেনি বলে অভিযোগ রয়েছে। এই ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা বিভিন্ন সূত্র দিয়ে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জুড়েছেন। কিছু বাসিন্দা বলেন, আগুন নিভিয়ে আনার জন্য বিদ্যুতের পনের মিটার ও মোটরসাইকেল পুড়ে যাওয়ার কারণে নারী-পুরুষসহ শিশুরা প্রবেশপথে আটকে পড়ে। এই বিষ
