বিশাল বাড়িতে নিঃসঙ্গ মৃত্যু, দেখতে এলেন না স্বজনেরা
ব শ ল ব ড় ত ন – ফরিদপুরে তিনতলা ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে অচেতন অবস্থায় কোয়েল চৌধুরী (৫৪) উদ্ধার করা হয়। তিনি পরে হাসপাতালে মৃত্যু ঘটে। ঘটনার খবর তাঁর কানাডায় প্রবাসী বোন ও অন্যান্য স্বজনদের স্থানীয়রা জানায় কিন্তু কেউ আসেনি। স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় শহরের আলীপুর কবরস্থানে তাঁকে সমাহিত করা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাবা-মা হাশমত আলী চৌধুরী ও আছিয়া খানম দম্পতি পূর্ব খাবাসপুর এলাকায় এই ভবনটি কিনেছিলেন ২০০০ সালের দিকে। তাঁরা সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। দুই পুত্রসন্তান ও একমাত্র মেয়ে বাবু চৌধুরী ও কোয়েল চৌধুরী ছিলেন দুই ভাই। মানসিক সমস্যার কারণে ছোটবেলা থেকেই তাঁরা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন। বোন কানাডায় চলে যাওয়ার পর থেকে দুই ভাই দুর্বিষহ জীবন যাপন করছিলেন।
বড় ভাই বাবু চৌধুরী মৃত্যুর পর কোয়েল চৌধুরী একা হয়ে যান। তাঁর খাবারের ব্যবস্থা নিয়মিত ভাড়াটিয়াদের করতেন। প্রতিবেশীরা তাঁর খোঁজ খবর রাখতেন। স্থানীয় আশিকুর রহমান খান বলেন, ‘গতকাল সকালে এক ভাড়াটিয়া খাবার দেবার জন্য যান। ডাকাডাকি করেও ভেতর থেকে সাড়া পাওয়া যায় না। আমরা সেখানে গিয়ে ৯৯৯ ফোন করে পুলিশকে জানাই। পুলিশ এসে ঘরের দরজা ভেঙে তাঁকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে। তাঁর দুটি চোখ বেয়ে পানি ঝরে পড়ার দাগ দেখা যায়। আমরা প্রথমে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখান থেকে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’
‘মারা যাওয়ার পর তাঁর কানাডাপ্রবাসী বোনকে জানালে তিনি আমাদের দাফন করে ফেলতে বলেন। অন্য স্বজনদের জানালেও কেউ আসেনি।’ আশিকুর রহমান খান আরও বলেন, ‘বড় ভাই বাবু চৌধুরী মৃত্যুর পরও কেউ আসেনি। দাফনের পর দূর সম্পর্কের কয়েকজন আত্মীয় আসে।’
কথিত আছে, মাতার বাবা-মা সরকারি কর্মকর্তা হওয়ায় ছোটকালে তাঁরা কর্মস্থলে যাওয়ার আগে দুই ভাইকে ঘুমের ওষুধ খাওয়াতেন। এর ফলে একপর্যায়ে তাঁরা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন। ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভ
