একজন বেশি নিয়ে খেলেও ৯০ মিনিটে জিততে পারেনি আর্জেন্টিনা
একজন ব শ ন য় খ ল – একজন বেশি নিয়ে খেলেও আর্জেন্টিনা প্রতিযোগী সুইজারল্যান্ডকে হারাতে পারেনি। চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার সম্ভাব্য ফাইনালের সম্ভাব্য আকাশে একজন বেশি নিয়ে খেলা চালানো ছিল আর্জেন্টিনার প্রতিযোগী নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একজন বেশি নিয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে তারা একটি নির্ভরযোগ্য ফর্ওয়ার্ড স্থান খালাস করার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। সুইজারল্যান্ড আক্রমণে গতি দেওয়ার জন্য চাপ বাড়াতে থাকে। এই খেলাটি আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সুইজারল্যান্ডের প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বের গুরুত্বপূর্ণ সংঘটনা হিসেবে রেখেছিল প্রতিযোগী নীতির একটি উপর ভিত্তি করে।
প্রথমার্ধে সমান চাপ
প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনা সুইজারল্যান্ডকে পিছনে ফেলতে পারেনি। লিওনেল মেসির কর্নার থেকে একটি দুর্দান্ত হেড করে আলেক্সিস মাক আলিস্তার এগুলো খেলেছিল, কিন্তু সেই অবসর কাজে লাগাতে পারেনি তাদের। জিব্রিল সোরে প্রথম প্রহরে কিছু ক্ষেত্রে সুইজারল্যান্ডের কাছে একজন বেশি নিয়ে খেলার সুবিধা পেয়েছিল, কিন্তু কিছু ফাউল ছিল না। সেই অবসর কাজে লাগাতে পারেনি এমবোলো বা পারেদেস। রেফারি জোয়াও পেদ্রো সিলভা পিনেইরো কিছু ব্যবস্থা করেন না, বরং তিনি পরে রিপ্লে দেখে অতিরিক্ত সময়ে কোনো ফাউল বাতিল করেন।
প্রথমার্ধে সুইজারল্যান্ড আর্জেন্টিনার বেশি খেলার চাপ বাড়াতে থাকে। তাদের একজন বেশি নিয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে সঠিক বাচন করা যায়নি। কিন্তু সেই সময়ে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতার জুটি হয়েছিল। কোয়ার্টার ফাইনালের পরে সুইজারল্যান্ড আর্জেন্টিনার সামনে কিছু সময় ছিল, কিন্তু তা কাজে লাগাতে পারেনি।
দ্বিতীয় প্রহরে কোনো ফল না হওয়া
৬০ মিনিটে ব্রিল এমবোলোর হেড, ৬৫ মিনিটে এনদোয়ের শক্তিশালী হেড এবং পরের মিনিটে জাকার দূরপাল্লার শট—এগুলো এমিলিয়ানো মার্তিনেস তিনবার রক্ষা করেন। কিন্তু ৬৭ মিনিটে তিনি অতিরিক্ত সময়ে এনদোয়ের গোলে সমতা ফিরিয়ে দেন। দ্বিতীয় প্রহরে আর্জেন্টিনা পারেদেসের প্রতিযোগিতার সম্ভাব্য প্রতিযোগিতার সংঘটন ঘটেছিল, কিন্তু তা কাজে লাগাতে পারেনি তাদের। সুইজারল্যান্ড বেশি খেলার সুবিধা খালাস করে না, বরং চাপ বাড়িয়ে গেছে।
৪৪ মিনিটে সুইজারল্যান্ডের স্ট্রাইকার লাল কার্ড পেয়ে মাঠ ছাড়ে, কিন্তু তাদের পারেদেসের কাছে কোনো ফাউল ছিল না। বেশি খেলার সুবিধা বা�
