ব্যবসায়ী-চাকরিজীবীদের হানিট্র্যাপ এবং ব্ল্যাকমেল ঘটনায় পাঁচ আসামি গ্রেপ্তার
হ ন ট র য প ব – ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) রাজধানীতে হানিট্র্যাপের মাধ্যমে ব্যবসায়ী এবং চাকরিজীবীদের ব্ল্যাকমেল করে অর্থ আদায়ের অভিযোগে সংঘবদ্ধ চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। আসামিদের মধ্যে রয়েছেন মো. আনোয়ার হোসেন (৪৫), বদিউজ্জামান শাহীন (৪৫), মরিয়ম (৪৯), শাহাদাত হোসেন (৫৮) এবং ঊর্মি বেগম (৩৯)।
গ্রেপ্তারকৃত বস্তু ও প্রক্রিয়া
পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের কাছ থেকে ৯টি মোবাইল ফোন সেট, একটি ওয়াকিটকি এবং নগদ ৪ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। আসামিদের পরিচয় নিয়ে তদন্তে জানা গেছে যে তারা প্রতিটি ভুক্তভোগীর আর্থিক অবস্থা যাচাই করে পরে ব্ল্যাকমেল করে অর্থ আদায় করত।
ডিবি উপকমিশনার মো. তরিকুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃত সদস্যদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছেন। তিনি আরও বলেন, এই কৌশলে অনেক ব্যক্তির ছবি ও ভিডিও ধারণের আলামত পাওয়া গেছে এবং তাদের ফোনগুলোতে অন্যান্য ভুক্তভোগীদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
ডিবি সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের অভিযানে আসামিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় অনেকগুলো মামলা রয়েছে। গত ৩ জুলাই রাত থেকে ৪ জুলাই সকাল পর্যন্ত সবুজবাগ, বাড্ডা এবং খিলগাঁও এলাকায় অভিযান চালানো হয়।
প্রক্রিয়া এবং ঘটনার বিবরণ
পুলিশ কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, আসামি চক্রের একজন কর্মকর্তা গত ১৫ এপ্রিল ঋণ বিতরণের কাজে রামপুরার দক্ষিণ বনশ্রী মার্কেটে যান। সেখানে একজন নারী তাকে ঋণগ্রহীতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে ভিজিটিং কার্ড সংগ্রহ করেন।
যার পর মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে সম্পর্ক গড়ে তোলা হয়। পরে ওই নারী বনশ্রী ইউনিটি হাসপাতালের সামনে দেখা করার প্রস্তাব দেন। নির্ধারিত স্থানে পৌঁছালে আরেক নারী ভুক্তভোগীকে রিকশায় খিলগাঁও ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। সেখানে তাকে মারধর করে ছবি ও ভিডিও ধারণ করা হয়।
আসামিদের থেকে মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ, নগদ টাকা, এটিএম কার্ড, জাতীয় পরিচয়পত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ছিনিয়ে নেয়। এরপর তাদের কাছে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়।
ব্যাংক হ
