চট্টগ্রামে ৩ হাজার টাকার জন্য পাহাড়ি যুবককে হত্যার অভিযোগ
চট টগ র ম ৩ হ জ – চট্টগ্রামের বহদ্দারহাট এলাকায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলন্ত মৃত যুবকের দেহ পুলিশ উদ্ধার করে। নিহত ব্যক্তি রাঙামাটি জেলার রাজস্থলী থানার ঢলিয়াপাড়া গ্রামে বসবাস করতেন এবং কাশবন রেস্টুরেন্টে হোটেল বয় হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পুলিশ তদন্তে মূল ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড হতে পরে নিশ্চিত করেছেন এবং তাঁকে খুনে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছেন অপর একজন হোটেল বয়কে। অপরাধের তদন্ত প্রাথমিক পর্যায়ে চলছে এবং ঘটনার প্রকৃতি আরও বেশি পরিষ্কার হওয়ার জন্য ময়নাতদন্ত রিপোর্টের প্রতীক্ষা করা হচ্ছে।
প্রাথমিক তদন্ত এবং অভিযোগের প্রকৃতি
গত শুক্রবার রাতে চান্দগাঁও থানাধীন এলাকায় কাশবন রেস্টুরেন্টের কর্মচারীদের বাসা থেকে ওই যুবকের দেহ পাওয়া গেছে। পুলিশ জানিয়েছেন যে, আসামি থুইসানু মারমা (২২) নামক ব্যক্তি মৃত ব্যক্তিকে টাকা পেতে সাহায্য করতেন। গত পরশু এটি নিয়ে দুজনের মধ্যে হাতাহাতি ঘটেছিল। পুলিশ তদন্তে প্রকাশ করা হয়েছে যে শুক্রবার সম্ভবত ভিকটিমকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করা হয়েছে, তারপর মরদেহ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার আগে বিষয়টি পাওনা তিন হাজার টাকার জন্য একটি অপরাধের সম্ভাবনা বোঝানো হয়েছিল।
অপরাধের পরিস্থিতি এবং তদন্ত অগ্রগতি
চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নূর হোসেন মামুন শনিবার বলেন, প্রাথমিক তদন্তে দেহটি আত্মহত্যা হিসেবে ধরা পড়েছিল। কিন্তু পরে জানা গেল যে এটি একটি হত্যাকাণ্ড ছিল। তদন্ত অনুযায়ী মৃত যুবক তাঁকে টাকা দিতে বাধ্য করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে পুলিশ এখন সেই তিন হাজার টাকার প্রকৃতি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছে। এ অপরাধে সাংবিধানিক কার্যক্রম চালু করা হয়েছে এবং অপরাধের প্রকৃতি আরও বেশি নির্ভুল হওয়ার জন্য আগামী দিনগুলিতে তদন্ত অগ্রগতি ঘটছে।
বর্তমানে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ হওয়ার পর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হবে। এ ক্ষেত্রে পুলিশ মূল অপরাধের তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। আসামি ব্যক্তি নিহতের কাছে পাওনা টাকা দিতে বাধ্য হয়েছিলেন যে কারণে এই ঘটনা ঘটেছিল। আরও বিস্তারিত তথ্য অনুসারে মৃত যুবক তাঁর হোটেল বয় কর্মকর্তার সাথে নিয়মিত ব্যবহার করতেন কাশবন রেস্টুরেন্টে। পুলিশ তাঁর সাথে আলোচনা করেছে এবং নিশ্চিত করেছে যে টাকা পেতে বাধ্য করার জন্য এই আক্রমণ ঘটেছে।
তদন্ত কর্মকর্তারা ঘটনার স্থানে হুমকি দিয়েছেন যে চট টগ র ম ৩ হ জ এর সংঘটন ঘটার পর মৃত যুবককে আত্মহত্যা চালিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ অভিযোগে প্রমাণ সংগ্রহে তাঁদের নিকট থেকে স্বীকারোক্তি পেয়েছেন। বিষ
