Bangladesh

বন বিভাগের জমির গাছ কেটে স্থাপনা: ইউপি সদস্যসহ ৫ জন জেলহাজতে

বন বিভাগের জমির গাছ কেটে স্থাপনা ও রাস্তা নির্মাণের মামলায় ইউপি সদস্যসহ পাঁচ জনকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে

বন ব ভ গ র জম র – বন বিভাগের জমি থেকে গাছ ও মাটি কেটে স্থাপনা ও রাস্তা নির্মাণের অভিযোগে বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার সকিনা বীটের নিদ্রার চর এলাকায় সোনাকাটা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শহীদ আকনসহ পাঁচ জনকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোঃ ইফতি হাসান ইমরান। এ ঘটনার পর আসামিরা আদালতে হাজির হন এবং জামিনের আবেদন করেন, যার আবেদন নামঞ্জুর করা হয়। বন বিভাগের জমির গাছ কেটে স্থাপনা ও রাস্তা নির্মাণের কার্যকলাপটি বিতর্কিত হয়েছে এবং আদালত সেই অভিযোগের প্রতি প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে।

অভিযোগের প্রকৃতি এবং আদালতের নির্দেশ

মামলার আসামিরা হলেন শহীদ আকন, মাসুদ খাঁন, সবুজ ফকির, কুডি মোল্লা ও নেকিয়ার হোসেন। তালতলী উপজেলার সকিনা বীট কর্মকর্তা মোঃ রাহিমুল ইসলাম জুমেল গত ২৬ এপ্রিল বন আইনে মামলা দায়ের করেন। বন বিভাগের জমির গাছ কেটে স্থাপনা ও রাস্তা নির্মাণের কার্যকলাপটি বিতর্কের মাঝে ছিল, কিন্তু আসামিরা তাদের আবেদনে আইনী মুক্তির দাবি জানিয়েছিলেন। আদালত সেই দাবিকে প্রত্যাখ্যান করে এবং বন বিভাগের জমির গাছ কেটে স্থাপনা ও রাস্তা নির্মাণের কার্যকলাপের প্রতি কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

বন বিভাগের দায়ের করা মামলায় আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোঃ ইফতি হাসান ইমরান বলেন, “ইউপি সদস্য শহীদ আকনসহ কয়েকজন আইনের তোয়াক্কা না করে বন বিভাগের জমি থেকে গাছ ও মাটি কেটে স্থাপনা ও রাস্তা নির্মাণ করেছেন। এ কর্মকান্ডে প্রতি আইনী প্রতিক্রিয়া বিচারক দ্বারা গৃহীত হয়েছে।”

বন বিভাগের জমির গাছ কেটে স্থাপনা ও রাস্তা নির্মাণের অভিযোগে আসামিরা বিভিন্ন ধরনের প্রতিবাদ জন্মাচ্ছে। এটি নির্দেশ দেয়ার পর আসামিরা কী করেছেন তা নিয়ে আরও আলোচনা হচ্ছে। কিছু সূত্র থেকে জানা যায় যে এ ঘটনার প্রতি বন বিভাগ কঠোর কার্যকলাপ নেয়ার জন্য আদালতকে এগিয়ে দিয়েছেন। বন বিভাগের জমির গাছ কেটে স্থাপনা ও রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছিল উপজেলার বিশেষ প্রয়োজনের জন্য।

ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়া এবং প্রতিক্রিয়া

আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পেশকার আবু বকর বলেন, “বিচারক এ মামলায় ইউপি সদস্যসহ পাঁচ জনকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। আইন প্রয়োগের মাধ্যমে এ বিষয়টি নিষ্পত্তি পেয়েছে।” বন বিভাগের জমির গাছ কেটে স্থাপনা ও রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছিল স্থানীয় উন্নয়নের প্রতি আগ্রহ প্রকাশের জন্য। তবে বন আইনের প্রতি প্রতিক্রিয়া সত্যি বিচারকের নির্দেশে প্রতিফলন করেছে।

এ ঘটনার পর বন বিভাগের জমির গাছ কেটে স্থাপনা ও রাস্তা নির্মাণের প্রতি আপত্তি উঠেছে। আসামিরা এ কার্যকলাপটি সুবিধার জন্য করেছেন ব

Leave a Comment