মার্কিন ও ইরান সামরিক সংঘাত বন্ধ করতে এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করতে আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে
প ল ট প ল ট হ – পারস্য উপসাগরে গতকাল রোববার (২৮ জুন) একজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ঘোষণা করা হয়েছে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পুনরায় কূটনৈতিক আলোচনা শুরু করতে সম্মতি দিয়েছে। এটি দুই দেশের মধ্যে ঘটে যাওয়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর অন্তর্বর্তীকালীন শান্তি চুক্তি ফেরত দেওয়ার প্রস্তাব প্রাপ্ত হওয়ার পর আশা জন্মাচ্ছে। মার্কিন প্রশাসন তাদের পুনরায় অব্যাহত থাকা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ঘোষণা করেছে যে সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) সব বিষয় নিয়ে আলোচনা চালু রয়েছে।
গত ১৭ জুন হামলা থেকে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হয়েছে
গত বৃহস্পতিবার হরমুজ প্রণালিতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁয়ার পর অবশেষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সাম্প্রতিক গোটা ঘটনার পর দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি ফেরত দেওয়া হয়েছে। এর ফলে বাণিজ্যিক জাহাজগুলো অবাধে চলাচল করতে পারবে। এই চুক্তি অনুসারে ইরানি বাহিনী সামরিক সংঘাত থেকে বিরত থাকবে এবং মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ থেকে নিরাপদ থাকবে।
ট্রাম্পের হুমকি ও হামলার বিষয়ে বিবৃতি
রোববার ভোরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইরানের কাছে হুমকি জানান দেন, যে সময় আসতে পারে যখন তিনি আর ধৈর্য দেখাবেন না এবং সামরিকভাবে যুদ্ধ শেষ করতে বাধ্য হবেন। তিনি যোগ করেন, ‘যদি তেমনটা ঘটে, তবে ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রের আর কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।’ পরপরই কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
“যদি তেমনটা ঘটে, তবে ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রের আর কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।”
বাহরাইন সরকার এই হামলার পর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে জরুরি বৈঠক ডাকে। গতকাল ইরানি ড্রোন হামলায় বাহরাইনের মুহাররাক প্রদেশে একটি আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিন্তু কেউ হতাহত হয়নি। কুয়েতের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে যে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরানি দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে।
কাতার বৈঠক অঞ্চলের শান্তি ফিরিয়ে আনার প্রধান পরীক্ষা
পারস্য উপসাগরে উত্তেজনা বিস্তার করতে কাতারে মঙ্গলবার (৩০ জুন) আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে এটি সামগ্রিক শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। গত শুক্রবার লেবাননে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর ভূগর্ভস্থ সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে ইসরায়েল নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে। তবে গত ১৭ জুনে লেবাননে ইসরায়েল
