International

যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তিকে ‘আত্মসমর্পণ’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর

হিজবুল্লাহ প্রধান নাঈম কাসেম মার্কিন মধ্যস্থতার মাধ্যমে স্বাক্ষরিত নিরাপত্তা চুক্তি নিয়ে বিতর্ক তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি প্রত্যাখ্যানের সাথে

য ক তর ষ ট র র – যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতা স্মারককে ‘আত্মসমর্পণ’ হিসেবে বিবেচনা করে হিজবুল্লাহ নেতা নাঈম কাসেম লেবানন ও ইসরায়েলের চুক্তিকে বাতিল ঘোষণা করেন। শনিবার আজ এই চুক্তির কার্যকারিতা নিয়ে সংঘাত তৈরি করেন তিনি, যা পর্যায়ক্রমে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং দক্ষিণ লেবাননে লেবাননের সেনাবাহিনী মোতায়েন করার শর্ত নিয়ে গঠিত।

গতকাল শুক্রবার ওয়াশিংটনের মাধ্যমে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বিশেষত, এই চুক্তির মূল শর্ত ছিল ইসরায়েলি সেনার জন্য দক্ষিণ লেবাননে সাময়িক নিরাপত্তা জোনে অবস্থানের অনুমতি দেয়া। কিন্তু কাসেম এই শর্তগুলি দ্বারা লেবাননের সার্বভৌমত্ব হুমকি দেয়ার দাবি করেন।

সংঘাতের পরিণতি সম্পর্কে বিবরণ দেয়া হয়েছে

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী আজ শনিবার দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিহ আল-ফাওকা এলাকায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি, এই হামলার কারণ ছিল হুমকি হয়ে উঠতে পারে এমন এক ব্যক্তিকে লক্ষ্য করা।

“চলতি মাসের শুরুতে হওয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক লেবাননের আঞ্চলিক অখণ্ডতার গ্যারান্টি দেয়। এটিই মূলত সংঘাত অবসানের ভিত্তি হওয়া উচিত; শুক্রবারের ওয়াশিংটন চুক্তি নয়।”

নাঈম কাসেম আরও বলেন, ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের সাথে হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণের শর্ত যুক্ত করার দ্বারা ইসরায়েলের সামরিক উপস্থিতি বৈধতা পেয়েছে। তিনি আরও জানান, হিজবুল্লাহ এখনও সশস্ত্র প্রতিরোধ অব্যাহত রাখবে এবং কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও যুদ্ধক্ষেত্র ছেড়ে যাওয়ার পর্যন্ত তাদের সংগ্রাম অবিরত থাকবে।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী বর্তমানে তাদের স্থল সেনা সাময়িকভাবে উপস্থিত না থাকায় ড্রোনের মাধ্যমে হামলা চালানো হয়েছে। তবে হামলার বিষয়ে তাদের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ বা বিবরণ প্রদান করা হয়নি।

এই সংঘাত আরম্ভ হওয়ার পর লেবাননে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। হিজবুল্লাহ ও ইরান দাবি করেন, দুই সপ্তাহ আগে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল যার ফলে লেবাননে হামলা বন্ধের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল।

Leave a Comment