চাঁদাবাজির একটাই সাজা মুচলেকা—সংসদে জামায়াতের এমপি সাইফুল
চ দ ব জ র একট ই – ঢাকা-১২ আসনের জামায়াত প্রতিনিধি সাইফুল আলম খান মিলন জানায় যে, বিএনপি এমপির ছেলে চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক হয়েছিল। তাঁর মতে, সংসদ সদস্যের ছেলে গ্রেপ্তার হয়েছে যার পর দিন মুচলেকা দিয়ে ছাড়া দেওয়া হয়। এতে দেশের সমস্ত চাঁদাবাজি করে থাকা লোকেরা জানবে, চাঁদাবাজি করো বলেই সাজা হয়। মুচলেকা দিয়ে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের ছেলে আটক হয়েছিল পুলিশের হাতে
গত ২১ জুন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীব চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। পরের দিন তাঁকে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া দেওয়া হয়। সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, চাঁদাবাজি করে থাকা যে কোনো দলের লোক ধরা হলে ভুল করা হবে।
চাঁদাবাজদের ধরা হোক। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনেক গুণে গুণান্বিত। আগে উনি বলেছিলেন এস আলমের গাড়িতে করে সংবর্ধনা নিয়েছেন, তা ঠিক হয়নি। কিন্তু চট্টগ্রামে এস আলমের দামি গাড়িগুলো রক্ষা করতে গিয়ে বিএনপির লোকেরা বহিষ্কার হলে তা উল্লেখ করেননি।
তিনি আরও বলেন, ইসলামি ব্যাংকের আরডিএস প্রকল্প থেকে জামায়াতে ইসলামের নির্বাচনী ফান্ডের জন্য ১১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন এটা অডিট হবে। তবে সে অডিটেও ওনার হাত আছে। তিনি অপেক্ষায় থাকবেন কখন অডিটটি করাবেন। ব্যাংক তো ওনাদের হাতে।
ব্যাংকের আর্থিক হিসাব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তুলে ধরেন এমপি
সাইফুল আলম মিলন ব্যাংকটির ২০২৫ সালের আর্থিক হিসাব তুলে ধরেন। তিনি মনে করেন এটা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশেষ ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য। বাজেট সম্পর্কে উল্লেখ করেন, উনি বলেছেন এটা অডিট হবে। কিন্তু জানতাম উনি প্রধানমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, ধর্মমন্ত্রীর পক্ষে কথা বলেন।
একটা দল আল্লাহু আকবার বলে ইসলামী ব্যাংক দখল করল। আমি বুঝলাম ওনার আল্লাহু আকবরে আপত্তি আছে। কিন্তু আরেকটি দলের যুবনেতা অস্ত্র নিয়ে ব্যাংক দখল করতে গিয়েছিল
