নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান শুভ্র গ্রেপ্তার
ন ভ ন গ র প র – পুলিশ নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম শুভ্রকে গ্রেপ্তার করেছে। আজ বুধবার সকাল ৮টার দিকে রাজধানীর বনানী এলাকার ডি-ব্লকের ১৫ নম্বর সড়কে একটি বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা শ্রম আদালতের একটি মামলায় জারি করা হয়েছিল।
তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহফুজুর রহমান বলেন, শ্রম আইনে দায়ের করা মামলায় আদালত শুভ্রের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল। পরোয়ানার কার্যক্রমে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, শুভ্রকে গ্রেপ্তারের জন্য মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে বনানী এলাকার ১৫ নম্বর সড়�ের ৫৪ নম্বর বাড়িতে অভিযান করা হয়। প্রথম পর্যায়ে ভবনের গেটে তালা এবং নিরাপত্তাকর্মীদের অসহযোগিতা কারণে পুলিশ ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি। সেই সময় আসামি শুভ্রের গাড়িচালক এবং দেহরক্ষীরা পুলিশের সঙ্গে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করেন। রাতভর অপেক্ষা করে সকালে তাঁকে বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জানা যায়, নাভানা গ্রুপ এবং আফতাব অটোমোবাইলস লিমিটেডের মালিকপক্ষের চারজন এবং প্রতিষ্ঠানের চার কর্মকর্তাকে শ্রম আদালতে মামলা দায়ের করেন কর্মী কফিল উদ্দিন। গত বছরের ৮ মে রায়ে আদালত বাদীর পাওনা প্রায় ২৩ লাখ টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধ না করায় চলতি বছরের ৩ মে আসামি সাতজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
মামলার আসামিদের তালিকায় রয়েছে নাভানা গ্রুপের চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম কামাল, ব্যবসাপরিচালক খালেদা ইসলাম, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম সুমন, ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম শুভ্র এবং চার কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন মিয়া, ফারজানা ইয়াসমিন, ইমরান বিন ফেরদৌস এবং মোহাম্মদ মনিরুল আলম।
বাদীপক্ষের দাবি, পরোয়ানা জারির পর দেশে অবস্থানরত অধিকাংশ আসামিকে এত দিন গ্রেপ্তার করা হয়নি। তাঁদের অভিযোগ অনুযায়ী, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী কর্মচারীদের পাওনা পরিশোধে মালিকপক্ষ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
অন্যদিকে নাভানা গ্রুপের কয়েকজন কর্মকর্তা এবং মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক বিপর্যয়, কর্মচারীদের পাওনা পরিশোধে ব্যর্থতা এবং অর্থ পাচার সহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের প্রতি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতিক্রিয়া যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
