National

স্বামী হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড, এক দশক পর হলেন মুক্ত

স্বামী হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড, এক দশক পর হলেন মুক্ত

স ব ম হত য র দ – স্বামী হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড বহাল করা হয়েছিল কিন্তু চার দশক পর স্ত্রী ফাতিহা মাশকুরা আপিল বিভাগের নেতৃত্বে মুক্তি লাভ করেন। ঘটনা সিলেট নগরের সওদাগরটুলায় ঘটে যায়, যেখানে জামাতের ধোপাদিঘিরপাড় আঞ্চলিক শাখার মুরব্বি ইব্রাহিম আবু খলিল নিজ বাড়ির শোয়ার ঘর থেকে ২০১৫ সালের ১৮ মে মৃত অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। খলিলের হত্যার দায়ে তাঁকে স্বীকারোক্তি দেন তাঁর স্ত্রী ফাতিহা মাশকুরা। মামলার ঘটনার পরদিনই তিনি আটক করা হয় এবং সিলেটের আদালত তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।

২০১৬ সালের ৬ জুন আদালত ফাতিহাকে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করে। তবে খলিলের হত্যার দায়ে বিচারপতি বিশেষজ্ঞ বিভাগ কমিটির সাক্ষ্য গ্রহণের পর মামলাটি নিয়ে হাইকোর্টের শুনানি চালু হয়। দুই বছর পর ডেথ রেফারেন্স প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় এবং খলিলের হত্যার দায়ে ফাতিহার মৃত্যুদণ্ড বহাল করেন আপিল বিভাগের সদস্যরা। এই মুক্তি ঘটে যায় ২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি পর হলেন মুক্তি পেয়েছেন স্বামী হত্যার দায়ে।

আইনজীবীদের দাবি: স্বীকারোক্তি ছাড়া আপিলে কোনো প্রমাণ ছিল না

জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহানের মতে খলিলের হত্যার দায়ে ফাতিহার বিরুদ্ধে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ছাড়া অন্য কোনো প্রমাণ ছিল না। তিনি বলেন, “খলিলের হত্যার দায়ে ফাতিহার বিরুদ্ধে শুধুমাত্র স্বীকারোক্তি বিশ্বাস করা হয়েছিল। ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে তাঁকে হত্যার দায়ে পুলিশ স্বীকারোক্তি দেন।” এই জবানবন্দি করে নেয়া হয় তাঁর পুলিশ হেফাজতে। খলিলের হত্যার দায়ে এই স্বীকারোক্তি ছাড়া কোনো বিপরীত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

“পুলিশ নিজেদের হেফাজতে রেখে স্বীকারোক্তি ভিডিও করেছিল। এই স্বীকারোক্তি ছাড়া আর কোনো কিছু তাদের কাছে নেই।”

ফাতিহা মাশকুরার আইনজীবী এস এম শাজাহান খান জানান, হত্যার দায়ে তাঁর স্বীকারোকতি ছিল শুধুমাত্র স্বপ্রণোদিত। তিনি বলেন, এই মামলার প্রমাণ নিশ্চিত করে স্বামী হত্যার দায়ে ফাতিহাকে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করা হয়। প্রতিশোধের দায়ে আপিলে তাঁর মুক্তি পেয়ার কথা অনুমোদন করা হয়। এই মুক্তি ঘটে যায় দু

Leave a Comment