সংসদে বসার সময় এমপিদের হাত কেটে যাচ্ছে বলে আপত্তি উত্থাপিত হয়েছে
স সদকক ষ র চ য় র – সংসদকক্ষে বসার সময় সংসদ সদস্যদের (এমপি) সুবিধার জন্য সরবরাহিত চেয়ারগুলির ক্ষতির কথা উঠে এসেছে। বুধবার সংসদ অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে আজ সংসদের বৈঠক শুরু হওয়ার পর পয়েন্ট অব অর্ডারে এ সমস্যার আলোচনা ঘটে। তিনি জানান, চেয়ারগুলির নিঃশেষ অবস্থা ও অতিরিক্ত ওজনের কারণে বেশিরভাগ এমপি হাত আঘাতপ্রাপ্ত হচ্ছেন। এই পরিস্থিতি প্রতি অধিবেশনে চূড়ান্ত হয়ে চলছে।
চেয়ারে দুর্ঘটনা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে
জয়নাল আবদিন ফারুক বলেন, সংসদে বসার সময় চেয়ারগুলির ফাঁক থাকায় হাতের আঘাত স্বাভাবিক। তিনি দাবি করেন, চেয়ারগুলি এত ভারী যে নিয়মিত ব্যবহারের ফলে হাত ছেদিয়ে যাচ্ছে। প্রতিটি অধিবেশনে এই সমস্যার কারণে বেশ কয়েকজন এমপি হাসপাতালে ভর্তি হন। বিশেষ করে সংসদকক্ষের চেয়ারে বসে আলোচনা করার সময় এই পরিস্থিতি একটি মারাত্মক সমস্যা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
“সংসদকক্ষের চেয়ারে যে অবস্থা, আমরা যারা এখানে আছি, ১৬ বছরে পুলিশের দ্বারা নির্যাতিত, কারও কোমর নাই, কারও হাতে ব্যথা, কারও পিঠে ব্যথা।”
তিনি আরও জানান যে এই চেয়ারগুলি ইতিহাসের সাক্ষী। সংসদকক্ষের চেয়ারে এ প্রকারের সমস্যা সম্পূর্ণ নতুন কিছু নয়, বরং এ বিষয়টি স্থায়ী হয়ে চলছে। তিনি দাবি করেন, এ সমস্যা সমাপন করতে কমিটি গঠন করা উচিত। সংসদের অধিবেশনে প্রতিটি এমপি সংসদকক্ষের চেয়ারে বসার সময় এই প্রতিক্রিয়া দেখায়।
হাতে আঘাতের কারণ ও সমাধানের প্রস্তাব
সংসদকক্ষের চেয়ারে বসার সময় আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ার কারণ হিসেবে জয়নাল আবদিন ফারুক দাবি করেন যে বৈঠকের স্থান ও সংসদে সরবরাহিত চেয়ারগুলির ডিজাইন অনুযায়ী অতিরিক্ত ওজন এবং অপ্রাপ্ত ফাঁকের কারণে হাতের আঘাত হচ্ছে। তিনি বলেন, এই সমস্যার সমাধান খুঁজতে সংসদের স্পিকার প্রথম পদক্ষেপ নিতে হবে। বর্তমানে সংসদে চেয়ারে বসার সময় দুর্ঘটনা মারাত্মক হতে পারে।
সংসদকক্ষের চেয়ারে বসে আলোচনা করার সময় অনেক এমপি হাত কেটে যাচ্ছেন। প্রতিটি অধিবেশনে এ প্রকারের আঘাত হতে পারে। তিনি দাবি করেন, এই সমস্যা সমাপন করতে কমিটি গঠন করা উচিত। কারণ সংসদে চেয়ারে বসার সময় হাতের আঘাত দুর্ঘটনার চেয়ারে নির্ভর করে। তিনি জানান, চেয়ারগুলির পেছনে প্রায় তিন ইঞ্চির ফাঁক থাকায় এমপি বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।
