দায়িত্বশীলেরাই মামলার বাদী-সাক্ষী, আসামি হলেন ট্রাকচালক-হেলপার
মদনে সরকারি চাল পাচারের ঘটনা
দ য় ত বশ ল র ই – নেত্রকোনার মদন উপজেলার নেত্রকোনা-মদন সড়কের সাম্য ফিলিং স্টেশনে মামলা দায়ের হয়েছে প্রায় ২০ টন সরকারি চাল ট্রাকে করে পাচারের অভিযোগে। এ ঘটনায় ট্রাকচালক, হেলপার ও এক ব্যবসায়ীকে আসামি করা হয়েছে। মামলার বাদী ও সাক্ষীর ভূমিকা পালন করছে খাদ্য বিভাগের দুই দায়িত্বশীল কর্মকর্তা। এ বিষয়ে এলাকার সচেতন মহলে ব্যাপক সমালোচনা চলছে।
প্রশাসনের পরিচালনা ও অভিযোগ
গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে চালভর্তি ট্রাকটি আটক করে প্রশাসন। এ সময় ট্রাকচালক ও হেলপারকে গ্রেফতার করা হয়। যদিও মামলা হয়েছে, কিন্তু নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা বলেন, প্রকল্পে চালের ডিও অনুমোদন এপ্রিলে শেষ হয়েছে। চলতি মেতে এ প্রকল্পে কোনো ডিও নেই। দুই ডিওর চাল সাধারণত দেড় থেকে দুই টনের বেশি বরাদ্দ হয় না। তবে এ ঘটনায় একসঙ্গে ২০ টন চাল ট্রাকে করে নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
টিআর-কাবিখাসহ বিভিন্ন প্রকল্পের চাল ডিও হোল্ডারদের গতকাল বৃহস্পতিবার গুদাম থেকে দেওয়া হয়েছে। পরে সেগুলো পাচার করে দেওয়া হচ্ছিল। খবর পেয়ে সেগুলো জব্দ করা হয়। জব্দের ঘটনায় মামলা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দার আপত্তি
মদন শহরের বাসিন্দা ফয়েজ মিয়া বলেন, গুদামে প্রকল্পের ডিওর চাল রাখার নিয়ম নেই। এটা গুদাম কর্মকর্তার যোগসাজশ ছাড়া সম্ভব নয়। তদারকির দায়িত্বে থাকা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের সংশ্লিষ্টতা না থাকলে এত বড় অনিয়ম হওয়ার কথা নয়।
মামলার অভিযোগ ও সাক্ষ্য প্রকাশ
মামলার বাদী হয়েছেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক দুলাল মিয়া। সাক্ষী হিসেবে গুদাম কর্মকর্তা মাহমুদুল আলমের না�
