Bangladesh

পাচারকালে ৩ লাখ রেণু পোনা জব্দ, কীর্তনখোলা নদীতে অবমুক্ত

পাচারকালে ৩ লাখ রেণু পোনা জব্দ, কীর্তনখোলা নদীতে অবমুক্ত

অপাচার বিরোধী অভিযানে রেণু পোনা জব্দ

প চ রক ল ৩ ল খ – প চ রক ল ৩ লাখ রেণু পোনা জব্দ করা হয়েছে বরিশালের দোয়ারিকা শিকারপুর সেতুর টোল প্লাজায়। এই সফল অভিযানে গতকাল রোববার রাতে তিনটার দিকে বরিশাল সদর উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে একটি সংগঠিত অপাচার বিরোধী অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় একটি ট্রাক থেকে প্রায় ১৩ ব্যারেল রেণু পোনা বর্জিত করা হয়। ট্রাকে সাতজন শ্রমিক ছিল, যারা অপাচারের সময় পালিয়ে যায়। সরাসরি অবৈধ পাচার প্রতি প্রতিবাদ করে এ রেণু পোনায় প্রায় ৩ লাখ চিংড়ি ছিল।

এই বিষয়টি নিয়ে বরিশাল সদর উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা জামাল হোসাইন জানান যে, পাচারকালে রেণু পোনা নিয়ে অপাচার বিরোধী অভিযান এগিয়েছে। নদী থেকে পুনরায় বর্জিত করা হয়েছে যে রেণু পোনা কীর্তনখোলা নদীতে পৌঁছায়। সরাসরি এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি। তবে এটি কৌশলী আপাচার সম্পর্কে প্রতিবেদন করে বরিশাল সদর উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে এ রেণু পোনা নদীতে অবমুক্ত করা হয়।

মাছের পাচার বিরোধী গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা

বরিশাল সদর উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তার জানান যে, পাচারকালে রেণু পোনা বাজারে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হচ্ছিল। গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইয়ের সহযোগিতায় কর্মকর্তারা রেণু পোনাকে পুনরায় নদীতে ফেরত দিয়েছেন। কীর্তনখোলা নদীর মাছের সংখ্যা কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়। পাচার বিরোধী অভিযান এই ধরনের রেণু পোনা বর্জিত করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ চাপ সৃষ্টি করেছে।

“পাচারকালে রেণু পোনা বর্জিত করা হয়েছে। কীর্তনখোলা নদীতে এ রেণু পোনা মাছের সংখ্যা কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়।” বলেন জামাল হোসাইন।

পাচার বিরোধী কার্যক্রমের লক্ষ্য ও গুরুত্ব

এই রেণু পোনা জব্দ করা হয়েছে রেণু পোনা পাচার বিরোধী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে। কীর্তনখোলা নদী থেকে প্রতিদিন কোটি টাকা কমানোর সম্ভাবনা রয়েছে। রেণু পোনা বাজারে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হয় যেন মাছের অবৈধ পাচার কমে যায়। বরিশাল সদর উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তার কথায় রেণু পোনা সরবরাহ বিরোধী বিষয়টি মার্কেটে প্রভাব ফেলছে।

পাচারকালে এ রেণু পোনা বর্জিত করে কৌশলী আপাচার প্রতি প্রতিবেদন করা হয়েছে। কীর্তনখোলা নদীতে মাছের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে পারে বলে আশা করা হয়। রেণু পোনা পাচার বিরোধী অভিযানের মাধ্যমে কৌশলী আপাচার প্রতি প্রতিবেদন করে বরিশাল সদর উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তার দ্বারা সম্পন্ন হয়েছে।

রেণু পোনা সংকট কারণে কী হচ্ছে

রেণু পোনা পাচার বিরোধী অভিযান করে কৌশলী আপাচার প্রতি সংকট দূর করতে চাইছে। কীর্তনখোলা নদীতে মাছের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে পারে বলে আশা করা হয়। রেণু পোনা সম্পর্কে পাচার বিরোধী কার্যক্রম প্রতি সময় মাছের স্থানান্তর করতে চাইছে। এই বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত বলে মনে করা হয়।

পাচারকালে রেণু পোনা সংকট সৃষ্টি হচ্ছে যে কীর্তনখোলা নদীতে এ রেণু পোনা বর্জিত করা হয়েছে। সব প্রকার মাছের পাচার বিরোধী �

Leave a Comment