সংস্কারে নিম্নমানের ইট বালি, সড়কের কাজ বন্ধ
স স ক র ন ম নম – সংস্কার নিম্নমানের ইট বালি অভিযোগ প্রসঙ্গে গুরুদাসপুরে পৌর কর্তৃপক্ষ প্রকল্পগুলো বন্ধ করেছেন। এই বিষয়ে কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে যে পাঁচটি সড়ক সংস্কার প্রকল্পের মোট বরাদ্দ ১২ কোটি টাকা ছিল। তবে ইট ও বালি ব্যবহারে অপ্রশিক্ষিত মানের অভিযোগ তোলা হয়েছে এবং এর ফলে গত ৯ জুন পৌর কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে চিঠি দিয়ে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগের প্রমাণ হিসেবে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী সড়কে বসানো হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
প্রকল্পের বিস্তার এবং কার্যনিরত্তনা
গুরুদাসপুরে পৌরসভার একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে পাঁচটি প্রকল্পে অংশগ্রহণের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই প্রকল্পগুলোর মধ্যে জিয়া খালের কভার ড্রেন কাম রাস্তা, সড়কবাতি ও পরিবেশ সংরক্ষণ প্রকল্পগুলো অন্তর্ভুক্ত। সংস্কার নিম্নমানের ইট বালি ব্যবহারে সড়ক দুটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। সড়কের দুই পাশে পুরোনো ইটগুলো তুলে সেই ইট দিয়ে খোয়া তৈরি করা হয়েছে। অতঃপর সড়কের পাশে এজিং ইট বসানো হয়েছে। এছাড়াও এক অংশে বালি ব্যবহার করে সড়কের কাজ চলছে। তবে অন্য তিনটি প্রকল্পের কাজ এখনো শুরু হয়নি।
ব্যবহৃত মানের প্রশ্ন
সড়ক দুটি নির্মাণকাজে পোড়ামাটির মতো দেখতে (৩ নম্বর ইটের খোয়া) খোয়া ব্যবহার করা হয়েছে। ব্যবহৃত ইট ও বালি খোয়ায় মাটি মিশ্রিত রয়েছে। নিয়মনীতি উপেক্ষা করেই এসব খোয়া বিছানো হয়েছে সড়কে। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
অভিযোগ প্রসঙ্গে ঠিকাদারের পক্ষে মাসুদ রানা নামে এক ব্যক্তি মোবাইল ফোনে বলেন, সংস্কার নিম্নমানের ইট বালি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পৌর কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে নির্মাণ ও সংস্কারকাজ বন্ধ করেছেন। তিনি বলেন, একটি অংশে ইট ও খোয়া সরিয়ে নিয়ে সেখানে ভালো ইট ফেলা শুরু হয়েছে। তবে অনেকে জানান যে বরাদ্দ অনুযায়ী কাজ চালানো হচ্ছে না। অনুমান করা হচ্ছে যে সংস্কার নিম্নমানের ইট বালি ব্যবহারে খুব সম্ভবত অপরিচিত মানের সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে।
গুর�
